Powered By Blogger

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২০

কোন গ্রহের কারনে কি কি অংশে মানব দেহে বিস্থার ঘটে দেখুন



কোন গ্রহের কারনে কি কি অংশে মানব দেহে বিস্থার ঘটে দেখুন

জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নয়টি গ্রহ রয়েছে।
রবি
চন্দ্র
মঙ্গল
বুধ
বৃহস্পতি
শুক্র
শনি
রাহু
কেতু

এই নয়টি গ্রহ শরীরের বিশেষ অংশে প্রভাব ফেলে বা রোগ সৃষ্টি করে। দেখে নেওয়া যাক কোন গ্রহের ফলে কি কি রোগ হতে পারে এবং তার প্রতিবিধান দেওয়া হলো।

১). রবি: এই গ্রহের স্থান মাথা , ও মুখ ।রবি বিরুদ্ধ হলে মাথা ও মুখের কোনো অংশে অসুখ হতে পারে।এই গ্রহের প্রভাবে দৃষ্টি শক্তি কমে যেতে পারে, brain tumour হতে পারে, মানসিক ভারসাম্যহীন হতে পারে এবং দাঁতে রোগ দেখা দিতে পারে। এমন কি মুখে ক্যান্সার হতে পারে।এবং ব্রণ হতে পারে,ও কানের সমস্যা হতে পারে।

প্রতিবিধান: রত্ন চুনী ৪-৫ রতি অনামিকা আঙ্গুলী
বীজমন্ত্র: ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্যায়।
লাল পোষাক পরে পূর্ব দিকে মুখ করে সকাল 6 টাই ১০০ বার

২.) চন্দ্র : এই গ্রহের অবস্থান গলা ও বুক। চন্দ্র বিরূপ হলে সবসময় সর্দি কাশি, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট , ফুসফুসে কোনো অসুখ এমন কি হৃদরোগ হতে পারে। এছাড়া নার্ভাস disoder , depression , ও কর্কট জনিত সমস্যা অর্থাৎ ক্যান্সার হতে পারে।

প্রতিবিধান: মুক্ত ৯-১০ রতি তর্জনী অঙ্গুলী তে।

বীজমন্ত্র: ওঁ ঐং ক্লিং সোমায়:.
সন্ধে বেলায় 108 বার।

৩). মঙ্গল: এই গ্রহের স্থান পেট ও পিঠ ।
মঙ্গল বিরূপ থাকলে পেটের ও পিঠের যেকোনো স্থানে অসুখ হতে পারে।শিরদাঁড়ায় আঘাত ও স্পন্ডেলাইটিস হতে পারে, হার ভাঙ্গা, শিরা ছিড়ে যাওয়া , দুর্ঘটনায় রক্তপাত, আলসার, রক্ত শুন্যতা, আগুনে পুড়ে যাওয়া, শরীরের যেকোনো অংশে অস্ত্র পচার হতে পারে।

প্রতিবিধান: রক্তপ্রবাল ১১-১২ রতি অনামিকা বা মধ্যমা অঙ্গুলীতে।

বীজমন্ত্র : ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়
108 বার স্নান করে।
     Maa Baba Gems Stone -01820884886
৪)বুধ:
এই গ্রহটি দুর্বল হয়ে পরলে আমাদের মস্তিষ্ক এবং নার্ভাস সিস্টেমের উপর মারাত্মক খারাপ প্রভাব পরে। ফলে নার্ভাস সিস্টেম দুর্বল হয়ে পরার পাশপাশি নানাবিধ স্কিন প্রবলেমও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে লেজুড় হতে পারে অ্যালার্জি, মস্তিষ্কের ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয়ে পরার মতো সমস্যাও। তাই তো বলি বন্ধু, যদি দেখেন জন্ম কুষ্টিতে বুধের অবস্থান দুর্বল হয়ে পরেছে, তাহলে যত শীঘ্র সম্ভব পান্না ধারণ করতে ভুলবেন না যেন! এতে বুধের খারাপ প্রভাব কেটে যেতে সময় লাগে না।

প্রতিবিধান:রত্ন ৫-৬ রতি পান্না কনিষ্ঠা অঙ্গুলি তৈ
বীজমন্ত্র : ঔঁ স্ত্রীং শ্রীং বুধায় ১০৮ বার।

৫) বৃহস্পতি:
এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে এই গ্রহটির প্রভাব দুর্বল হয়ে পরলে ওজন বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। সেই সঙ্গে চুল পড়ার হার বেড়ে যাওয়া, লিভারের সমস্যা, ডায়াবেটিস, টিউমার এবং মনোযোগ ক্ষমতা কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। শুধু তাই নয়, বৃহস্পতি গ্রহের খারাপ প্রভাবের কারণে কিন্তু মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ারও আশঙ্কা থাকে। তাই সাবধান বন্ধু সাবধান! প্রসঙ্গত, এই বিশেষ গ্রহটির খারাপ প্রভাব কমাতে হলুদ নীলকান্তমণি কিন্তু দারুন কাজে আসে।
প্রতিবিধান: রত্ন পোখরাজ ৬ রতি অনামিকা অঙ্গুরী তে।
বীজমন্ত্র : ঔঁ হ্রীং ক্লীং হূং বৃহস্পতয়ে ১০৮ বার স্নান করে।

৬) শুক্র:
কোনও কারণে যদি এই গ্রহটির খারাপ প্রভাব পরে আপনার উপর, তাহলে কিডনি সম্পর্কিত নানাবিধ রোগ মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে কিন্তু! সেই সঙ্গে লেজুড় হতে পারে বন্ধ্যাত্বের মতো সমস্যাও। তাই তো বলি বন্ধু, জন্ম কুষ্টিতে যদি শুক্র গ্রহ দুর্বল হয়ে পরার যোগ থাকে, তাহলে হিরের একটা আংটি পড়তে দেরি করবেন না যেন!

প্রতিবিধান : হীরা ১০০ সেন্ট বা ৭ রতি
সাদা জারকন অনামিকা অঙ্গুলি তে
বীজমন্ত্র: ঔঁ হ্রীং শ্রীং শুক্রায় ১০৮ বার স্নান করে।

৭)শনি গ্রহ:
কারও উপর শনি গ্রহের খারাপ প্রভাব পরলে কিন্তু ভিষণ বিপদ! কারণ সেক্ষেত্রে হাজারো রকমের সমস্যা যেমন মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে আর্থ্রাইটিস, নার্ভাস ডিজঅর্ডার, হাড়ের রোগ এবং ডিপ্রেশনের মতো ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ার ভয়ও থাকে। এক্ষেত্রে এমন সব শারীরিক সমস্যার হাত থেকে মুক্তি পেতে নীলা পরার প্রয়োজন রয়েছে।
প্রতিবিধান:
বত্ন : ৫ রতি নীলা মধ‍্যমা অঙ্গলি তে
বীজমন্ত্র : ঔ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়ঃ ১০৮ বার সন্ধ্যায়

৮). রাহু: রাহু লগ্নে, ষষ্ঠ, দ্বাদশ স্থানে থাকলে আকস্মিক দুর্ঘটনা, স্নায়ু রোগ, রক্তচাপ , ব্লাড ক্যান্সার ও stoke হতে পারে।

প্রতিবিধান: হ্যাসনাইট গারনেট ৯-১০ রতি মধ্যমা অঙ্গুলীতে ।

বীজমন্ত্র: ওঁ ওই হ্রিং রাহবে ১০৮ বার স্নান করে।

৯.) কেতু: কেতুর অবস্থান lower abdoman এ। পিত্ত ঘটিত রোগ , gynocological সমস্যা, চর্ম রোগ, গুহ রোগ , দুরারোগ্য ব্যাধি যেমন cancer ও যৌন রোগ হতে পারে।

প্রতিবিধান: ক্যাটস আই ৩-৪ রতি কনিষ্ঠা অঙ্গুলীতে।

বীজমন্ত্র: ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে ১০৮ বার সন্ধ্যায়।
108 বার সন্ধে বেলা।



শনিবার, ৯ মে, ২০২০

রাহুর দোষ প্রতিকারে করনীয় চক্রে কত ঘরে থাকলে কি করবেন



রাহুর দোষ প্রতিকারে করনীয়

কিছু তথ্য দেওয়া হলো যেগুলো করলে রাহুর খারাপ দৃষ্টি বা খারাপ কাজ গুলো কমে যাবে, এবং আপনার জীবনে ফিরে আসবে সুখ ও শান্তি।

১, রাহু লগ্নে থাকলে গম, তামা, লাল বস্ত্র, লাল ফুল, কস্তুরী, জাফরান দান করুন।

২, রাহু দ্বিতীয় ভাবে থাকলে রুপা, সোনা কিনে রাখুন, জাফরান হলুদ কাগজে মুড়ে রাখুন খুব উপকার পাবেন।

৩, রাহু তৃতীয় ভাবে থাকলে, হাতির দাঁত কাছে রাখুন, হাতির দাঁত এখন পাওয়া যায়না, তাই ivory রং এর জিনিস কাছে রাখুন, তাতেও উপকার পেতে দেখেছি আমি।

৪, রাহু চতুর্থ ভাবে থাকলে, রুপোর গ্লাস এ জল খান, দারুন কাজ দেয়।

৫, রাহু পঞ্চম ভাবে থাকলে, একটা রুপার হাতি বানান, ভালোবাসায় কষ্ট পাবেন না। সুখ শান্তি ফিরে আসবে।

৬, ষষ্ঠ ভাবে থাকলে, বাড়িতে কালো কুকুর রাখুন, নাহলে রাস্তায় কালো কুকুরকে নিয়মিত খেতে দিন।

৭, রাহু ৭ ভাবে থাকলে, তাড়াতাড়ি বিয়ে করবেন না, ২৮ বছরের পরে বিয়ে করাই ভালো।
বাড়ির পশ্চিম কোন ৭ টা রুপার coin রাখুন।
৮, রাহু ৮ ভাবে থাকলে , পুরানো পয়সা চলমান জলে ফেলুন ৪২ দিন।

৯, রাহু ৯ ভাবে থাকলে, চেষ্টা করুন join ফ্যামিলি তে থাকার, আর নিজের রক্তের কারোর সাথে বিবাদে জড়িয়ে পড়বেন না।

১০, রাহু ১০ম ভাবে থাকলে কৃপণ ও খারাপ মানসিকতার লোকের সাথে মিশবেন না, পায়রাকে গম খেতে দিন প্রতিদিন

১১, রাহু ১১ ভাবে থাকলে, সোনা পড়ুন, জমাদার কে জামা কাপড় দান করুন।

১২, রাহু ১২ ভাবে থাকলে, রান্না ঘরে খাবার খান, যেখানে রান্না হয়েছে।
কুকুর দের খেতে দিন।

কোন রাশির কি গুন থাকে



গ্ৰহের গুন ও বৈশিষ্ট্য


শুভ সন্ধ‍্যা
গ্রহের গুন বা বৈশিষ্ট্য ।
====================

প্রত্যেক গ্রহের কিছু নিজস্ব গুণ বা বৈশিষ্ট্য আছে।এই সব বিশেষত্ব যে সব সময়েই প্রকাশ পাবে তা নয়। কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে একটি গ্রহ কোন বিশেষ রাশিতে অবস্থানের ফলে বা অন্য গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হবার কারণে তার গুণের পরিবর্তন ঘটতে পারে। তবে সাধারণভাবে তাদের কারকত্বগুলি এই রকম :

১। রবি - আত্মা, অহঙ্কার, আত্মসম্মান, উত্সাহ, প্রতিষ্ঠান, পিতা, জীবনীশক্তি, হৃদয় (heart), অস্থি (bones), উচ্চপদস্থ কর্মচারী, রাজনীতি, জ্বর, রক্তচাপ, মস্তক, চক্ষু (বিশেষতঃ ডান চক্ষু), রক্তবর্ণ, ঝাল ইত্যাদি।
অপর নাম - ভানু, অর্ক, সবিতা, আদিত্য প্রভৃতি।

২। চন্দ্র - মন, শারীরিক পুষ্টি ও লাবণ্য, মাতা, শ্বেতবস্ত্র, আদর্শবাদিতা, শ্লেäমা, রক্ত(শ্বেতকণিকা), গলগণ্ড, জন সাধারণ, ফুসফুস, দেহের জলীয় অংশ, চক্ষু (বিশেষতঃ বাম চক্ষু), শ্বেতবর্ণ, লবণরস ইত্যাদি।
অপর নাম - সোম, ইন্দু, শশাঙ্ক, উড়ুপ প্রভৃতি।

৩। মঙ্গল - সাহস, শক্তি, ক্ষিপ্রতা, ক্রোধ, অগ্নি, উগ্র মানসিকতা, কুমারত্ব, কর্মক্ষমতা, তর্ক, ভ্রাতা, রক্ত (লোহিতকণিকা), গুহ্যদেশ, রক্তচাপ, অর্শ, রক্তপাত, দুর্ঘটনা, জমি, ভূমি, আগুন, ক্ষত, কাটাছেঁড়া, গাঢ় রক্তবর্ণ, তিক্তরস ইত্যাদি।
অপর নাম - কুজ, ভৌম, বক্র, ত্রুÝর, মহীজ প্রভৃতি।

৪। বুধ - পরিহাস, বালকসুলভ কথাবার্তা, বাকশক্তি, বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি, অস্থিরচিত্ততা, বিচার বিশ্লেষণ, ভাল মন্দ বিচার করার ক্ষমতা, মুদ্রিত রচনা, খবর, তথ্য, তথ্য আদান-প্রদান, সংবাদ, হিসাব, লেখন, জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষ, গণিতশাস্ত্র, বাণিজ্য, অÂমরস, ত্বক, স্নায়ু, নাক, গলগ্রন্থি (thyroid gland), নিঃশ্বাস, সর্দি, জিহবারোগ, ইত্যাদি।
অপর নাম - সৌম্য, হেম, সোমসুত, চন্দ্রসুত, চন্দ্রজ, প্রভৃতি।

৫। বৃহস্পতি - পূজাআর্চা, শাস্ত্রপাঠ, জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বাEøতা, জানুদেশ, যকৃত্, প্লীহা, বাকশক্তি, স্থূলতা, মধুমেহ (blood sugar or diabetes), শ্লেäমা, যকৃত্ ও মূত্রাশয়, ধর্ম, গুরু, আধ্যাত্মিকতা, মূল্যবোধ, আদর্শবাদিতা, পুরোহিত, শিক্ষক, শাস্ত্রপাঠ, আইনবিদ্যা, আইনজ্ঞ, বিদ্যা, মধুর রস ইত্যাদি
অপর নাম - গুরু, জীব, আর্যz, সূরি প্রভৃতি।

৬। শুক্র - কাম-সম্বন্ধীয় কার্য, জাগতিক সুখ, বিভিন্ন শাস্ত্র, আমোদ-প্রমোদ, সৌখিন ও বিলাস দ্রব্য, সৌন্দর্য, মাধুর্য, মুখমণ্ডল, মোহ, শিল্প, সঙ্গীত, শয়নসুখ, দৃষ্টিশক্তি, যৌন আকর্ষণ, যৌনরোগ, অম্ল রস ইত্যাদি।
অপর নাম - কবি, সিত, ভার্গব, উশনা, ভৃগু, দৈত্যগুরু প্রভৃতি।

৭। শনি - বৃদ্ধ, বয়স্ক লোক, বিলম্ব, শৃÍলা, দুরারোগ্য ব্যাধি, নিঃসঙ্গতা, ক্লেশ, দুঃখ, দুঃশ্চিন্তা, ভীতি, মৃত্যু, অস্থিপীড়া, পক্ষাঘাত, মৃত্যুভয়, বধিরতা, শরীর কম্পন, শ্বাসরোগ, যক্ষা, আয়ু, সংযমী, স্বল্পতা, বিচ্ছেদ, সন্ন্যাসী, ত্যাগ, শ্রম, ধৈর্য, শ্রমিক, আধ্যাত্মিকতা, নিম্নবর্গের লোক, দাস দাসী, অস্থি, দাঁত, পর্বত ভ্রমণ, কেশ, কষায় রস ইত্যাদি।
অপর নাম - যম, মন্দ, রবিসুত, শনৈশ্চর, অর্কপুত্র প্রভৃতি।

৮। রাহু - ভোগ, কপটাচার, বিভ্রান্তি, অতৃপ্তি, আকাশ পথ, বিদেশ যাত্রা, উচ্চস্থান, শ্বাসপ্রশ্বাস, অপবাদ, তমোগুণ, যথেচ্ছাচার, সর্প, ইন্দ্রজাল, অনির্ণিত রোগ ইত্যাদি।
অপর নাম - তম, অহি, অসুর, ভুজঙ্গ প্রভৃতি।

৯। কেতু - গোপনিয়তা, ব্রণ, আচম্বিতে ঘটা ঘটনা, আঘাত, ক্ষত, মোক্ষ, কৈবল্য ইত্যাদি।
অপর নাম - শিখী, ধবজ, রাহুপুচ্ছ, ধুমবর্ণ প্রভৃতি।

প্রত্যেক রাশির নিজের কিছু গুনা গুন থাকে দেখে নিন



গ্ৰহের গুন ও বৈশিষ্ট্য


শুভ সন্ধ‍্যা
গ্রহের গুন বা বৈশিষ্ট্য ।
====================

প্রত্যেক গ্রহের কিছু নিজস্ব গুণ বা বৈশিষ্ট্য আছে।এই সব বিশেষত্ব যে সব সময়েই প্রকাশ পাবে তা নয়। কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে একটি গ্রহ কোন বিশেষ রাশিতে অবস্থানের ফলে বা অন্য গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হবার কারণে তার গুণের পরিবর্তন ঘটতে পারে। তবে সাধারণভাবে তাদের কারকত্বগুলি এই রকম :

১। রবি - আত্মা, অহঙ্কার, আত্মসম্মান, উত্সাহ, প্রতিষ্ঠান, পিতা, জীবনীশক্তি, হৃদয় (heart), অস্থি (bones), উচ্চপদস্থ কর্মচারী, রাজনীতি, জ্বর, রক্তচাপ, মস্তক, চক্ষু (বিশেষতঃ ডান চক্ষু), রক্তবর্ণ, ঝাল ইত্যাদি।
অপর নাম - ভানু, অর্ক, সবিতা, আদিত্য প্রভৃতি।

২। চন্দ্র - মন, শারীরিক পুষ্টি ও লাবণ্য, মাতা, শ্বেতবস্ত্র, আদর্শবাদিতা, শ্লেäমা, রক্ত(শ্বেতকণিকা), গলগণ্ড, জন সাধারণ, ফুসফুস, দেহের জলীয় অংশ, চক্ষু (বিশেষতঃ বাম চক্ষু), শ্বেতবর্ণ, লবণরস ইত্যাদি।
অপর নাম - সোম, ইন্দু, শশাঙ্ক, উড়ুপ প্রভৃতি।

৩। মঙ্গল - সাহস, শক্তি, ক্ষিপ্রতা, ক্রোধ, অগ্নি, উগ্র মানসিকতা, কুমারত্ব, কর্মক্ষমতা, তর্ক, ভ্রাতা, রক্ত (লোহিতকণিকা), গুহ্যদেশ, রক্তচাপ, অর্শ, রক্তপাত, দুর্ঘটনা, জমি, ভূমি, আগুন, ক্ষত, কাটাছেঁড়া, গাঢ় রক্তবর্ণ, তিক্তরস ইত্যাদি।
অপর নাম - কুজ, ভৌম, বক্র, ত্রুÝর, মহীজ প্রভৃতি।

৪। বুধ - পরিহাস, বালকসুলভ কথাবার্তা, বাকশক্তি, বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি, অস্থিরচিত্ততা, বিচার বিশ্লেষণ, ভাল মন্দ বিচার করার ক্ষমতা, মুদ্রিত রচনা, খবর, তথ্য, তথ্য আদান-প্রদান, সংবাদ, হিসাব, লেখন, জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষ, গণিতশাস্ত্র, বাণিজ্য, অÂমরস, ত্বক, স্নায়ু, নাক, গলগ্রন্থি (thyroid gland), নিঃশ্বাস, সর্দি, জিহবারোগ, ইত্যাদি।
অপর নাম - সৌম্য, হেম, সোমসুত, চন্দ্রসুত, চন্দ্রজ, প্রভৃতি।

৫। বৃহস্পতি - পূজাআর্চা, শাস্ত্রপাঠ, জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বাEøতা, জানুদেশ, যকৃত্, প্লীহা, বাকশক্তি, স্থূলতা, মধুমেহ (blood sugar or diabetes), শ্লেäমা, যকৃত্ ও মূত্রাশয়, ধর্ম, গুরু, আধ্যাত্মিকতা, মূল্যবোধ, আদর্শবাদিতা, পুরোহিত, শিক্ষক, শাস্ত্রপাঠ, আইনবিদ্যা, আইনজ্ঞ, বিদ্যা, মধুর রস ইত্যাদি
অপর নাম - গুরু, জীব, আর্যz, সূরি প্রভৃতি।

৬। শুক্র - কাম-সম্বন্ধীয় কার্য, জাগতিক সুখ, বিভিন্ন শাস্ত্র, আমোদ-প্রমোদ, সৌখিন ও বিলাস দ্রব্য, সৌন্দর্য, মাধুর্য, মুখমণ্ডল, মোহ, শিল্প, সঙ্গীত, শয়নসুখ, দৃষ্টিশক্তি, যৌন আকর্ষণ, যৌনরোগ, অম্ল রস ইত্যাদি।
অপর নাম - কবি, সিত, ভার্গব, উশনা, ভৃগু, দৈত্যগুরু প্রভৃতি।

৭। শনি - বৃদ্ধ, বয়স্ক লোক, বিলম্ব, শৃÍলা, দুরারোগ্য ব্যাধি, নিঃসঙ্গতা, ক্লেশ, দুঃখ, দুঃশ্চিন্তা, ভীতি, মৃত্যু, অস্থিপীড়া, পক্ষাঘাত, মৃত্যুভয়, বধিরতা, শরীর কম্পন, শ্বাসরোগ, যক্ষা, আয়ু, সংযমী, স্বল্পতা, বিচ্ছেদ, সন্ন্যাসী, ত্যাগ, শ্রম, ধৈর্য, শ্রমিক, আধ্যাত্মিকতা, নিম্নবর্গের লোক, দাস দাসী, অস্থি, দাঁত, পর্বত ভ্রমণ, কেশ, কষায় রস ইত্যাদি।
অপর নাম - যম, মন্দ, রবিসুত, শনৈশ্চর, অর্কপুত্র প্রভৃতি।

৮। রাহু - ভোগ, কপটাচার, বিভ্রান্তি, অতৃপ্তি, আকাশ পথ, বিদেশ যাত্রা, উচ্চস্থান, শ্বাসপ্রশ্বাস, অপবাদ, তমোগুণ, যথেচ্ছাচার, সর্প, ইন্দ্রজাল, অনির্ণিত রোগ ইত্যাদি।
অপর নাম - তম, অহি, অসুর, ভুজঙ্গ প্রভৃতি।

৯। কেতু - গোপনিয়তা, ব্রণ, আচম্বিতে ঘটা ঘটনা, আঘাত, ক্ষত, মোক্ষ, কৈবল্য ইত্যাদি।
অপর নাম - শিখী, ধবজ, রাহুপুচ্ছ, ধুমবর্ণ প্রভৃতি।

কোন রাশির কি গুন থাকে একবার দেখে নিন ,



গ্ৰহের গুন ও বৈশিষ্ট্য


শুভ সন্ধ‍্যা
গ্রহের গুন বা বৈশিষ্ট্য ।
====================

প্রত্যেক গ্রহের কিছু নিজস্ব গুণ বা বৈশিষ্ট্য আছে।এই সব বিশেষত্ব যে সব সময়েই প্রকাশ পাবে তা নয়। কোন ব্যক্তির ক্ষেত্রে একটি গ্রহ কোন বিশেষ রাশিতে অবস্থানের ফলে বা অন্য গ্রহের দ্বারা প্রভাবিত হবার কারণে তার গুণের পরিবর্তন ঘটতে পারে। তবে সাধারণভাবে তাদের কারকত্বগুলি এই রকম :

১। রবি - আত্মা, অহঙ্কার, আত্মসম্মান, উত্সাহ, প্রতিষ্ঠান, পিতা, জীবনীশক্তি, হৃদয় (heart), অস্থি (bones), উচ্চপদস্থ কর্মচারী, রাজনীতি, জ্বর, রক্তচাপ, মস্তক, চক্ষু (বিশেষতঃ ডান চক্ষু), রক্তবর্ণ, ঝাল ইত্যাদি।
অপর নাম - ভানু, অর্ক, সবিতা, আদিত্য প্রভৃতি।

২। চন্দ্র - মন, শারীরিক পুষ্টি ও লাবণ্য, মাতা, শ্বেতবস্ত্র, আদর্শবাদিতা, শ্লেäমা, রক্ত(শ্বেতকণিকা), গলগণ্ড, জন সাধারণ, ফুসফুস, দেহের জলীয় অংশ, চক্ষু (বিশেষতঃ বাম চক্ষু), শ্বেতবর্ণ, লবণরস ইত্যাদি।
অপর নাম - সোম, ইন্দু, শশাঙ্ক, উড়ুপ প্রভৃতি।

৩। মঙ্গল - সাহস, শক্তি, ক্ষিপ্রতা, ক্রোধ, অগ্নি, উগ্র মানসিকতা, কুমারত্ব, কর্মক্ষমতা, তর্ক, ভ্রাতা, রক্ত (লোহিতকণিকা), গুহ্যদেশ, রক্তচাপ, অর্শ, রক্তপাত, দুর্ঘটনা, জমি, ভূমি, আগুন, ক্ষত, কাটাছেঁড়া, গাঢ় রক্তবর্ণ, তিক্তরস ইত্যাদি।
অপর নাম - কুজ, ভৌম, বক্র, ত্রুÝর, মহীজ প্রভৃতি।

৪। বুধ - পরিহাস, বালকসুলভ কথাবার্তা, বাকশক্তি, বুদ্ধি, স্মৃতিশক্তি, অস্থিরচিত্ততা, বিচার বিশ্লেষণ, ভাল মন্দ বিচার করার ক্ষমতা, মুদ্রিত রচনা, খবর, তথ্য, তথ্য আদান-প্রদান, সংবাদ, হিসাব, লেখন, জ্যোতির্বিদ্যা ও জ্যোতিষ, গণিতশাস্ত্র, বাণিজ্য, অÂমরস, ত্বক, স্নায়ু, নাক, গলগ্রন্থি (thyroid gland), নিঃশ্বাস, সর্দি, জিহবারোগ, ইত্যাদি।
অপর নাম - সৌম্য, হেম, সোমসুত, চন্দ্রসুত, চন্দ্রজ, প্রভৃতি।

৫। বৃহস্পতি - পূজাআর্চা, শাস্ত্রপাঠ, জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বাEøতা, জানুদেশ, যকৃত্, প্লীহা, বাকশক্তি, স্থূলতা, মধুমেহ (blood sugar or diabetes), শ্লেäমা, যকৃত্ ও মূত্রাশয়, ধর্ম, গুরু, আধ্যাত্মিকতা, মূল্যবোধ, আদর্শবাদিতা, পুরোহিত, শিক্ষক, শাস্ত্রপাঠ, আইনবিদ্যা, আইনজ্ঞ, বিদ্যা, মধুর রস ইত্যাদি
অপর নাম - গুরু, জীব, আর্যz, সূরি প্রভৃতি।

৬। শুক্র - কাম-সম্বন্ধীয় কার্য, জাগতিক সুখ, বিভিন্ন শাস্ত্র, আমোদ-প্রমোদ, সৌখিন ও বিলাস দ্রব্য, সৌন্দর্য, মাধুর্য, মুখমণ্ডল, মোহ, শিল্প, সঙ্গীত, শয়নসুখ, দৃষ্টিশক্তি, যৌন আকর্ষণ, যৌনরোগ, অম্ল রস ইত্যাদি।
অপর নাম - কবি, সিত, ভার্গব, উশনা, ভৃগু, দৈত্যগুরু প্রভৃতি।

৭। শনি - বৃদ্ধ, বয়স্ক লোক, বিলম্ব, শৃÍলা, দুরারোগ্য ব্যাধি, নিঃসঙ্গতা, ক্লেশ, দুঃখ, দুঃশ্চিন্তা, ভীতি, মৃত্যু, অস্থিপীড়া, পক্ষাঘাত, মৃত্যুভয়, বধিরতা, শরীর কম্পন, শ্বাসরোগ, যক্ষা, আয়ু, সংযমী, স্বল্পতা, বিচ্ছেদ, সন্ন্যাসী, ত্যাগ, শ্রম, ধৈর্য, শ্রমিক, আধ্যাত্মিকতা, নিম্নবর্গের লোক, দাস দাসী, অস্থি, দাঁত, পর্বত ভ্রমণ, কেশ, কষায় রস ইত্যাদি।
অপর নাম - যম, মন্দ, রবিসুত, শনৈশ্চর, অর্কপুত্র প্রভৃতি।

৮। রাহু - ভোগ, কপটাচার, বিভ্রান্তি, অতৃপ্তি, আকাশ পথ, বিদেশ যাত্রা, উচ্চস্থান, শ্বাসপ্রশ্বাস, অপবাদ, তমোগুণ, যথেচ্ছাচার, সর্প, ইন্দ্রজাল, অনির্ণিত রোগ ইত্যাদি।
অপর নাম - তম, অহি, অসুর, ভুজঙ্গ প্রভৃতি।

৯। কেতু - গোপনিয়তা, ব্রণ, আচম্বিতে ঘটা ঘটনা, আঘাত, ক্ষত, মোক্ষ, কৈবল্য ইত্যাদি।
অপর নাম - শিখী, ধবজ, রাহুপুচ্ছ, ধুমবর্ণ প্রভৃতি।

রত্ন পাঁথর ছাড়া গ্রহের পতিদান কিভাবে করবেন দেখুন



গ্রহ শান্তি :-

রবিগ্রহ শান্তির উপায় – প্রতিদিন সকালে স্নান করে তামার ঘটিতে জল নিয়ে সূর্য্য দেবকে ওঁ আদিত্যায় নমঃ / ওঁ ঘৃণী সূর্য্যায় নমঃ - মন্ত্র ৫/৭ বার উচ্চারণ করে জল অর্পণ করিলে সূর্য্যদেব খুশি হন এবং ধীরে ধীরে জাতকেও খুশী নজরে দেখতে থাকেন ।

চন্দ্রগ্রহ শান্তির উপায় – কোন বিধবা মায়েদের আশ্রমে গিয়ে ভক্তিমনে মায়েদেরকে আতপচাল,দুধ, চিনী, বা পারিলে বস্ত্র দান করে মায়েদের চরণ স্পর্শ করে আশির্বাদ নিয়ে খুশী করালে চন্দ্রগ্রহ খুশী হয়ে জাতককে ধীরে ধীরে শান্তি প্রদান করেন এবং চন্দ্রদোষ হতে মুক্তি দেন।

মঙ্গলগ্রহ শান্তির উপায় – প্রতি মঙ্গলবার বজরঙ্গবলী মন্দিরে পূজো-পাঠ উপাসনা করে লোককে মিষ্টিমুখ করালে হনুমান ও মঙ্গলগ্রহ খুশী হয়ে ধীরে ধীরে জাতকের বিপদ মুক্ত করে শান্তি প্রদান করেন। কিন্তু কোন কোন জাতকের উপর পূর্ব্ব-জন্মের কর্মে মঙ্গলের পিতৃ-ঋণ বা দোষ থাকে তার উপায় জন্মপত্রিকার উপর নির্ভর করবে।

বুধপ্রহ শান্তির উপায় – প্রতিদিন সকালে স্নান করে ভক্তি ভাবে বুধগ্রহর নাম অনুসরন করে কলাগাছে জলঅর্ঘ দিবেন। নবগ্রহ মন্দিরে আস্ত মুগ-কলাই ও সবুজ ফল দান করিবেন। এবং ছোট কোন বাচ্চাদের হাতে আস্ত ফল দান করিলে বুধগ্রহ খুশী হয়ে জাতককে শুভফল প্রদান করিবেন।

বৃহস্পতির দোষে শান্তির উপায় – ছোলারডাল , Vhojya , পাকা কলা , হলুদবস্ত্র - ব্রাহ্মনকে ভক্তি ভাবে দানকরে চরণস্পর্শ করে আশির্বাদ নিলে গুরু বৃহস্পতিগ্রহ খুশী থাকেন এবং জাতককে বিপদ মুক্তির রাস্তা দেখান ও শান্তি প্রদান করেন।

শুক্র গ্রহর দোষে শান্তির উপায় – শুক্র গ্রহর দোষ থাকিলে জাতক জল দান করা খুবই শুভফল দায়ক যত পারা যায় জল দান করুন কিন্তু শ্রদ্ধাভক্তি মনে। দেখবেন শুক্র গ্রহ দেব ধীরে ধীরে আপনাকে শুভফল প্রদান করিবেন এবং আপনার সময় পরিবর্তনের সুযোগ দেখাদেবে।

শনি গ্রহর দোষ থাকিলে – প্রতি শনিবারে স্নান সেড়ে শনি মন্দিরে কিছু প্রসাদ চরাবেন সঃতেল লোহার ত্রিশুল কালো কাপড় মন্দিরে দান করিবেন এবং অশথ্ব গাছের মূলে চিনী গুড় মিশ্রিত জল শনিদেবের নাম বা মন্ত্র উচ্চারন করে অর্পণ করে থাকলে আপনার দূঃখ দূর্দশা ধীরে ধীরে মোচন হবে এবং শনিদেব খুশীহলে আপনার প্রতি শুভদৃষ্টিতে নজর দেবেন তবেই জাতক সুখী থাকিবেন।

রাহু গ্রহর দোষ থাকিলে – জাতক শনিবারে মাঝে মাঝে ইক্ষু গুড় দান করতে হয় এবং নিজে গুড় বা গুড়ের যে কোন জিনিষ না খাওয়াটা ভালো। সূর্য্যগ্রহণের দিন নারিকেল জলে ভাসিয়ে দিতেহয়। বাড়ীতে রাত্রিতে নারিকেল বাদাম মাংস মশলা ভাজা বা খাওয়া খুবই ক্ষতিকর হয়।তার জন্য এ সমস্ত ত্যাগ করে সর্বদা হনুমানজীর পুজোপাঠে মন দিলে খুবই শান্তি পাবেন।

কেতু গ্রহর দোষ থাকিলে – জাতক শনিবারে মাঝে মাঝে সাদাকালো কম্বল, ছাগল এবং
ধোঁয়া-বর্ণের কাপড় কলা, দান করিলে কেতুগ্রহ খুশী হয়ে জাতককে শুভফল প্রদান করেন।

শনির নিজের ঘর থেকে মকর ও কুম্ভতে কি প্রভাব ফেলে দেখুন



শনির নিজের ঘর মকর-কুম্ভতে প্রভাব

শনির নিজের ঘর মকর-কুম্ভতে প্রভাব
শুভ অপরান্থ
শনি গ্রহের নিজের ঘর মকর এবং কুম্ভ রাশি তে তার প্রভাব
=============================

নয় গ্রহের মধ্যে যে গ্রহটি পাপ পুন্যের দন্ডদাতা, ন্যায়ের দন্ডদাতা, ভাগ্যের দন্ডদাতা আর "ঘাড়ত্যাড়া" গ্রহ হিসেবে বিশেষ পরিচিত তিনি হচ্ছেন শনি গ্রহ। শনি গ্রহের নাম শুনলে সবাই ভয়ে আতকে উঠে। এটা ঠিক যে শনি জীবনে কষ্ট, বেদনা, দুঃখ বেশি দেয় কিন্তু একটা সময়ে গিয়ে শনি সবকিছু শুভ ফল দিয়ে দেয়। শনি দর্শনের কারক গ্রহ। শনি প্রসন্ন থাকলে আর বাকি সব গ্রহ যদি খারাপ ও থাকে তারপরেও শনির সুপ্রভাবে মানুষ সবার উপরে উঠতেই থাকে। শনি এমনই এক গ্রহ। যাকে দেয় তাকে দিতেই থাকে আর যাকে দেয় না তার দিকে ফিরেও তাকায় না।
* জন্মছকে শনি খারাপ থাকলে হাড়, দাঁত, চুল, বাত, টি.বি, পক্ষাঘাত, স্নায়ুর দুর্বলতা, অসাড়তা, প্লীহা ইত্যাদি নানা ধরনের শারিরিক সমস্যা দেখা দেয়।
* শনির প্রতিকার হিসাবে শাস্ত্রে নিলা ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে, নিলা বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। নিলার পরিবর্তে নিল এমিথিস্ট, নিল টোপাজ, এলিট ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে.
শনির নিজস্ব দুটি রাশি রয়েছে। মকর এবং কুম্ভ। দুটিই ঋণাত্মক রাশি। এই দুই রাশির উপরেই শনির প্রভাব স্পষ্ট পড়ে। তাই এই দুই রাশির কপাল যে এত সুপ্রসন্ন হয় না তা বেশ ভালভাবেই বোঝা যায়।
.
মকর শনির প্রথম ক্ষেত্র। অত্যন্ত আদরের ক্ষেত্র এই রাশি শনির। এতই আদরের যে মনে হয় দুনিয়ার সকল দুঃখ কষ্ট এই রাশির উপরেই ঢেলে দিয়েছেন তিনি। মকর রাশির মানুষেরা বাস্তববাদী হয় খুব। আকাশ কুসুম স্বপ্ন এই রাশির মানুষ দেখে না। যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুক অনুযায়ীই এরা স্বপ্ন দেখে। জীবনে ঘাত প্রতিঘাত, সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এদের জীবন চলে। জীবনে কোন কিছুই সহজে এরা পায় না। অনেক কষ্ট করে সেটা লাভ করতে হয়। বাচাল স্বভাবের হয় এরা। কথা একটু বেশি বলে। আত্মবিশ্বাস থাকে নিজের প্রতি খুব। এদের একটি বড় গুন হচ্ছে যতই বাধা বিপত্তি, ঝুট, ঝামেলা আসুক না কেন এদের আত্মবিশ্বাস কমে না সহজে। জেদ এই রাশির মানুষের বেশি। সেটা অবশ্য কোন খারাপ জেদ না। নিজের ক্যারিয়ারে, নিজের জীবনের উন্নতি নিয়ে এদের জেদ থাকে। এটা অবশ্যই ভাল জেদ। বেরসিক স্বভাবের হয় এরা। ঠাট্টা, মজা, তামাসা কম বোঝে। সবক্ষেত্রেই সিরিয়াস হয়ে যায় সহজে। যেখানে প্রতিযোগিতা বেশি সেখানে এদের আকর্ষন বেশি থাকে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ বা প্রতিযোগিতা করে, লড়াই করে কোন কিছু লাভ করতে এরা বেশি ভালবাসে। এরা কিছুটা আবেগীও বটে। শনির স্ব ক্ষেত্র হওয়ায় এদের জীবনে ভাগ্য নির্ধারিত হয় বয়স বৃদ্ধির সাথে নিজের পরিশ্রমের উপরে। এটিই একমাত্র রাশি যে রাশি পরিশ্রম ছাড়া কোন কিছুই জুটাতে পারে না। অন্যান্য রাশির মানুষ তাও সুযোগ পায় কিছুটা কিন্তু এই মকর এমনই এক কপাল পোড়া রাশি এদের জীবনে সুযোগ আসেই না বরং সুযোগ এদের বানিয়ে নিতে হয়। এই রাশির মানুষের না পাওয়ার জ্বালা বেশি। জন্মানোর পর থেকে শুধু কষ্ট আর বাধার মধ্য দিয়ে এদের জীবন চলে। বিরহে কাটে এদের জীবন। এরা খুব স্বাধীনচেতা মনের মানুষ। নিজের একটা যে আলাদা জগত আছে সেটাকে তারা খুব সম্মান করে থাকে। পারিবারিক জীবন এদের সুখের হয় না। প্রায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় এদের উপরেই পরিবারের দায়িত্ব চলে আসে। জীবনকে উপভোগ করার সামান্য সময়টুকুও এদের কপালে থাকে না।
প্রেম, ভালবাসা, দাম্পত্য জীবন ৩টার একটাও এদের সুখের হয় না। প্রেম হলে সেটা কোন না কোন কারনে ভেঙে যাবেই। দাম্পত্য জীবনেও এদের সুখ কম। শনির দৃষ্টি থাকায় এদের বিবাহ দেরিতে হয়। অনেকের আবার হয়ই না বিবাহ।
৩২ বছরের আগে ভাগ্য এদের বিশেষ ভাল হয় না। ৩৮ বছর বয়স থেকে উন্নতি করা শুরু করে এরা। বিদ্যা স্থান মোটামুটি। বন্ধু বান্ধব মোটামুটি।
.
শনির আরেক টি ক্ষেত্র হচ্ছে কুম্ভ রাশি। তবে এটি শনির স্ব ক্ষেত্র নয়। কুম্ভের উপর নেপচুনেরও প্রভাব থাকে। অর্ধেক নেপচুন আর অর্ধেক শনি দ্বারা চালিত এই রাশি। তাই মকর রাশির মতন এত কষ্ট এদের সইতে হয় না।
কুম্ভ রাশির মানুষেরা সেরা অলস। এদের প্রিয় স্থান বিছানা নয়তো কোন বসার স্থান। এরা যে ঘন্টার পরে ঘন্টা অলসভাবে কিভাবে সময় কাটাতে পারে সেটা হয়তো নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। এরা খুব কল্পনাপ্রবণ মানুষ। গুরুগম্ভীর স্বভাবের। প্রয়োজন ব্যতীত কথা বলতে এরা তেমন ভালবাসে না। খুব বিশ্বস্ত মনের মানুষ হয় এরা। নীতিপরায়ন হয়। কাউকে ঠকানো বা কারো সাথে ছলনা করা এরা মোটেই ভালবাসে না। কিছুটা ক্ষ্যাপাটে স্বভাবের হয় এরা। এরা ধার্মিক মনের হয় না তেমন ধর্মভীরু হয়। উপরে যে একজন আছেন এই বিশ্বাস তাদের আছে। কাজের ব্যাপারে খুব সৎ। তবে কোন কাজই সুন্দর ভাবে করতে পারে না। আধা খ্যাচড়া ভাবে কোন কাজ করে রাখা এদের বাজে স্বভাব। এরা আবার নেতৃত্ব প্রিয় হয় না তেমন। বরং এরা কারো অধীনে থেকেই কাজ করতে পছন্দ করে। কেননা এরা নিজের থেকে কোনকিছু করতে পারে না হাজার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যদি না কেউ এদের গাইড করে। এদের একটি বাজে স্বভাব হচ্ছে এদের সাথে যদি কারো অনেক ভাল সম্পর্ক থাকে তাহলে তার সাথে যদি সামান্য একটু ভুল বোঝাবুঝি হয় এরা সম্পর্কই রাখে না। এই কারনে এদের জীবনে বন্ধু বান্ধব কম থাকে। হাতে গোনা দু একজন ছাড়া আর কারো সাথেই এরা বন্ধুত্ব করতে পারে না। কুম্ভ রাশির মানুষের জীবনে অপ্রত্যাশিত ঘটনা বেশি ঘটে। এমন সব ঘটনা ঘটে যেটা তার কল্পনার বাইরে।
এদের বিচার ক্ষমতা খুব ভাল। এরা এত রোমান্টিক হয় না। আর হলেও প্রকাশ করতে পারে না। কেননা এদের উপস্থাপনা করার কৌশল ভাল হয় না। প্রেম যোগ মোটামুটি শুভ। বিবাহ যোগ মোটামুটি। বিদ্যাস্থান এত শুভ হয় না। অধিক কল্পনাপ্রবন আর অলসতার কারনে।
২৮ বছর বয়স থেকে সুযোগ আসে ভাল। সেখানেও যদি অলসতামি করে তাহলে দুঃখ ছাড়া কপালে আর কিছুই থাকবে না।

কত মুখি রুদ্রাক্ষের কি আছে যেনে নিন



রুদ্রাক্ষের গুন

রুদ্রাক্ষের গুন

# রুদ্রাক্ষের কিছু গুন #
★★★★★★★★★★★★★★★
ভারতীয় ইতিহাসের দিকে নজর ফেরালে দেখতে পাবেন হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে রুদ্রাক্ষের ব্যবহার হয়ে আসছে এদেশে। ভগবান শীবের পাঁচ অবতারের প্রতীক এই প্রাকৃতিক উপাদানটি শরীরে সঙ্গে লেগে থাকলে নাকি অনেক উপকার পাওয়া যায়। সেই কারণেই নাকি ধর্ম থেকে দৈনন্দিন জীবন, সবক্ষেত্রেই ভারতীয়দের সঙ্গে রুদ্রাক্ষের সম্পর্কে বহু দিনের। কিন্তু প্রশ্ন হল বাস্তবিকই কি রুদ্রাক্ষের সঙ্গে আমাদের মানসিক এবং শারীরিক ভাল-মন্দের সম্পর্ক রয়েছে?
ধর্মীয় গ্রন্থে উল্লেখ পাওয়া যায় পাঁচমুখি রুদ্রাক্ষ ধারন করে থাকলে কাম,ক্রোধ, লোভ, মোহ এবং অহঙ্কার থেকে মুক্তি মেলে। ফলে স্বাভাবিকভাবই জীবনে শান্তি এবং সমৃদ্ধি ফিরে আসে। তবে এখানেই শেষ নয়, একাধিক গবেষণায় এও দেখা গেছে যে রুদ্রাক্ষের মালা একাধিক শারীরিক সমস্যা দূর করতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই কারণেই তো সুস্থ এবং সুন্দর জীবন পেতে মুনি-ঋষিরা রুদ্রাক্ষের মালা সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
সাধারণত যে যে শারীরিক সমস্যা কমাতে রুদ্রাক্ষের মালা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল.........
১. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখেঃ-
---------------------------------------
রুদ্রাক্ষ শরীরের সংস্পর্শে আসা মাএ ধীরে ধীরে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। কিন্তু কিভাবে এমনটা হয়, সে বিষয়ে যদিও এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। তবে অনেকের ধারণা রুদ্রাক্ষের শরীরে থাকা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক প্রপাটিজ এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
২. একাধিক রোগকে দূরে রাখেঃ-
-----------------------------------------------
একাধিক প্রাচীন গ্রন্থে এমন উল্লেখ পাওয়া গেছে যে ভ্রমণের সময় সঙ্গে যদি রুদ্রাক্ষের মালা রাখা যায়, তাহলে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। আসলে এই প্রাকৃতিক উপাদানটি শরীরের অন্দরের ক্ষমতা এতটাই বাড়িয়ে দেয় যে রোগ ভোগের আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। এবার বুঝতে পেরেছেন তো ঋষিরা কেন রুদ্রাক্ষের মালা পরতেন! আসলে তারা তো কখনও এক জায়গায় থাকতো না। পায়ে পায়ে ঘুরে বেরাতেন এদিক-সেদিক। এমনটা করার সময় শরীরকে সুস্থ রাখতে রুদ্রাক্ষের বিকল্প সেই সময় কিছু ছিল না।
৩. নেগেটিভ এনার্জি থেকে বাঁচায়ঃ-
---------------------------------------------------
আমাদের আশেপাশে এমন অনেকই আছেন, যারা প্রতিনিয়ত আমাদের খারাপ চেয়ে চলেছেন। এমন মানুষদের খারাপ ভাবনা থেকে শরীর এবং মনকে বাঁচাতে রুদ্রাক্ষের মালা ধারন করা জরুরি। কারণ এই প্রাকৃতিক উপাদানটি আমাদের এইসব খারাপ ভাবনার প্রভাব থেকে আমাদের রক্ষা করে, সেই সঙ্গে মনের জোর এতটা বাড়িয়ে দেয় যে জীবনে চলার পথে কোনও সমস্যাই হয় না।
৪. মনোযোগ বাড়ায়ঃ-
-------------------------------
বেশ কিছু পুঁথি ঘেটে এমনটা জানা গেছ গেছে চার এবং ছয় মুখি রুদ্রাক্ষ তামার তারের সঙ্গে পরলে ব্রেন পাওয়ার মারাত্মক বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে বাড়ে মনোযোগও। তাই বুদ্ধির ধার বাড়ানোর পাশাপাশি কনসেনট্রেশন পাওয়ার যদি বাড়াতে চান, তাহলে রুদ্রাক্ষকে শরীরে ধারণ করতেই হবে।
৫. ব্যথা কমায়ঃ-
-------------------------
যে কোনও কারণে হওয়া যন্ত্রণা এবং পোকামাকড়ের কামড় সম্পর্কিত কষ্ট কমাতে রুদ্রাক্ষের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে রুদ্রাক্ষকে পিষে তৈরি করা পেস্ট লাগালে দারুন উপাকার পাওয়া যায়।
৬. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়ঃ-
----------------------------------------------
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে আমাদের শরীর তিনটি উপাদান দিয়ে তৈরি। সেগুলি হল বায়ু , পিত্ত এবং কফ। এই তিনটি উপাদানের মধ্যেকার ভারসাম্য বিগড়ে গেলেই দেখা দেয় নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা, এমনটাই ধরণা আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের। প্রসঙ্গত, রুদ্রাক্ষ থেকে বানানো পাউডার জলের সঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন খেলে এই তিনটি উপাদানের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে। ফলে স্বাভাবিকবাবেই শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।
৭. নানাবিধ ত্বকের রোগের প্রকোপ কমায়ঃ-
--------------------------------------------------------------
রুদ্রাক্ষের মালা পরে থাকলে যে কোনও ধরনের ক্ষত সারতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে চুলকানি, ফুসকুড়ির প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা নেয় রুদ্রাক্ষ। প্রসঙ্গত, তামার পাত্রে জল নিয়ে তাতে একটি রুদ্রাক্ষ সারা রাত ভিজিয়ে রাখার পর সকালে খালি পেটে সেই জল পান করলে একাধিক ত্বকের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, ত্বকের ঔজ্জ্বলতা বাড়াতেও রুদ্রাক্ষ কিন্তু বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বাংলা মাস ও ইংরেজি মাস অনুযায়ী জন্ম হলে ভাগ্য কেমন হবে?



বাংলা মাস ও ইংরেজি মাস অনুযায়ী জন্ম হলে ভাগ্য কেমন হবে?

সুপ্রভাত
যাদের জন্মতারিখ নেই তাদের জন্য আমার প্রয়াস।
বাংলা ও ইংরেজি মাস অনুযায়ী কার কেমন ভাগ‍্য
তার জন্ম মাস থেকেই গণনা করে বলে দেয়া যায়

জন্মমাস অনুযায়ী আপনার ব্যক্তিত্ব :

বন্ধুরা,এই পৃথিবীতে এত মানুষের মধ্যে আমরা কেউই বলতে পারব না যে কারও সাথে কারও মিল নেই। একটু খুঁজলেই দেখা যাবে যে নিজের বৈশিষ্ট্যের মানুষ আমাদের আশে পাশেই আছে। শারিরীক গঠনের মিল না থাকলেও মানষিকতার মিল পাওয়া যায় অবশ্যই। আর এই বৈশিষ্ট্য গুলোর উপর চর্চা করে আমাদের রাশি নির্নয় হয়। আমাদের যেমন ১২টা রাশি আর সেই রাশির জাতক জাতিকাদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য প্রায় একই হয় ঠিক তেমনই আমাদের ইংরাজি ১২ টা মাসে যাদের জন্ম তাদের জন্ম মাস অনুযায়ী বৈশিষ্ট্য গুলো কে একত্রিত করে একটা মানুষ কেমন হবে সেটা বলা যায়।

প্রত্যেকটি মানুষই পরস্পর থেকে একেবারে আলাদা। তাদের চিন্তা ভাবনা, মনমানসিকতা একেবারেই ভিন্ন। কিন্তু আসলেই কি তাই ? জ্যোতিষশাস্ত্র মতে কিছু জিনিস রয়েছে যা অনেক মানুষের মধ্যেই একইভাবে থাকে। এগুলো হচ্ছে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য যা একই তারিখে বা একই মাসে জন্মানো মানুষের মধ্যে খুঁজে পাওয়া যায়। জ্যোতিষীরা বলেন যে একজন মানুষ কেমন হবে, তার ব্যবহার কেমন, তিনি আবেগী কিনা ইত্যাদি তার জন্ম মাস থেকেই গণনা করে বলে দেয়া তাই আজ চলুন, দেখে নিন আপনার জন্ম মাসটি আপনার সম্পর্কে কী বলে।সম্ভব। যদি আপনার জন্মমাস অনুযায়ী এই বৈশিষ্ট্য মিলে যায় তবে জানাবেন।

সন্তান জন্মের শুভাশুভের বাংলা মাসিক বর্ণনা!

১।চৈত্র-বৈশাখ মাসে যে সন্তান জন্মগ্রহণ করে সে কর্কশ,বদরাগী, অহঙ্কারী কিন্ত কর্মঠ ও ভাগ্যবান হয়ে থাকে।

২।জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় মাসে জন্মগ্রহণ করলে সে স্বাস্থ্যবান, ধৈর্যশীল, সৌখিন ও সদা হাস্যমুখি হয়ে থাকে।খুব বদরাগী ও উৎশৃঙ্খল হয়।

৩।শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে সন্তান জন্মালে সে মান-মর্যাদাসম্পন্ন, বিলাসী ও সকলের প্রিয় পাত্র হয়ে থাকে।

৪।আশ্বিন-কার্তিক মাসে জন্মালে সে ধার্মিক ও পরের সেবা, ও জ্ঞানী ও ভাগ্যবান হয়।স্বল্গয়ু হয়।

৫।অগ্রহায়ণ -পৌষ মাসে সন্তান জন্মগ্রহণ করলে সে ধনবান,বলবান, হিংসুক,অহংকারী, ভাগ্যবান হয়।

৬মাঘ-ফাল্গুন মাসে জন্মালে সে সুশ্রী, সৌভাগ্যবান, ঐশ্বর্যশালী ও দীর্ঘজীবী হয়ে থাকে।

এবার ইংরেজি মাস

জানুয়ারি :

যারা জানুয়ারি মাসে জন্মগ্রহন করেছেন তাদের কঠোর পরিশ্রমী হতে দেখা যায়। অনেক বেশি মাত্রায় ক্যারিয়ার সচেতন হয়ে থাকেন তারা। অনেক বেশি বিশ্বস্ত এবং ভালো শ্রোতা এই মাসে জন্মগ্রহণকারীরা। প্রচণ্ড পরিমাণে আবেগী ও অভিমানী হন। বদ অভ্যাস গুলোর মধ্যে রয়েছে বদমেজাজ, জেদ ও একগুঁয়েমি। খুব বেশি সমালোচনা করতে পারেন এরা।

এই মাসে যাদের জন্ম তাদের কল্পনাশক্তি ভালো। শারীরিক গঠন ভালো হয়। তবে শ্বাস-প্রশ্বাসে একটু সমস্যা হয়। সাহিত্য-শিল্প অনুরাগী। ভ্রমণপিপাসু, বাড়িতে থাকতে ভালোবাসেন না। পরিশ্রমী। এই মাসে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন, তাঁরা ডায়াবিটিস এবং গ্লুকোমায় আক্রান্ত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি :

খুব বেশি বুদ্ধিমান ও লাজুক প্রকৃতির হয়ে থাকেন ফেব্রুয়ারি মাসের মানুষজন। অনেক বেশি বাস্তববাদী ও বন্ধু তৈরিতে পারদর্শী হতে দেখা যায়। অনেক বেশি হাসিখুশি এবং প্রাণোচ্ছল হিসেবে সুনাম হয়েছে।কিছুটা কুঁড়ে প্রকৃতির হয়ে থাকেন এই মাসে জন্মানো মানুষগুলো। একটু কিপটেমিও দেখা যায় এদের মধ্যে। নিজেদের মিতব্যয়ী ভাবলেও আসলেই কিছুটা কিপটে প্রকৃতির হয়ে থাকেন এরা।
আপনারা অন্যের মনের কথা সহজে জেনে নেন এবং অন্যের সঙ্গে মিশে যান। সমস্ত সম্পর্কই আপনার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিজের মনের মানুষকে খুঁজতে আপনি সারা জীবন ব্যয় করতে প্রস্তুত। নিজের মনের মানুষ না-পেলে আপনি ভেঙে পড়তে পারেন। আপনারা ভালো অভিভাবক।

মার্চ :

মার্চ মাসে যাদের জন্ম তারা খুব জেদি, অ্যাম্বিশিয়াস। এঁরা শিক্ষাদান এবং শিক্ষালাভ ভালোবাসেন। এঁরা কোনও ব্যক্তির দুর্বলতার দিকে নজর দেন না। কঠোর পরিশ্রমী, সংবেদনশীল, অন্যকে খুশি করতে জানেন। সহজে উত্তেজিত হন না বা ঘাবড়ে যান না। বাচ্চা ভালোবাসেন। এঁরা সাধারণত অ্যালজাইমারে আক্রান্ত হন।
গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হতে দেখা যায় এই মাসে জন্মানো মানুষগুলোকে। বিশ্বস্ত ও সহানুভূতিশীল হয়ে থাকেন তারা। দারুণ প্রতিভার অধিকারী হয়ে থাকেন। অনেক বেশি সেনসিটিভ হয়ে থাকেন এই মানুষগুলো।অনেক বেশি গম্ভীর থাকেন এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের অধিকারী হয়ে থাকেন বলে কিছুটা ‘playful minded’ হয়ে থাকেন। নিজের ব্যক্তিত্ব দিয়ে সকলকে আকর্ষণের চেষ্টা করেন সব সময়। এবং এরা মারাত্মক প্রতিশোধ প্রবণ হয়ে থাকেন।

এপ্রিল :

কর্মঠ এবং ডায়নামিক ব্যক্তিত্বের মানুষ হন এপ্রিল মাসে জন্মানো মানুষজন। খুব সহজে সমস্যা সমাধান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষমতা থাকে তাদের মাঝে। অনেক বেশি সাহসী এবং দৃঢ় মানসিকতার মানুষ হতে দেখা যায় তাদেরকে।খুব বেশি মাত্রায় সকলের মনোযোগকামী হয়ে থাকেন এরা। নিজেদের বুদ্ধির বেশিরভাগটাই খাটিয়ে থাকেন এই কাজে এবং সব সময় সকলের দৃষ্টির মধ্যমণি হয়ে থাকতে চান তারা।
আপনি জেদি, আবেগপ্রবণ এবং অন্যের ওপর কর্তৃত্ব ফলাতে ভালোবাসেন। অন্য দিকে আপনি খুব সৃজনশীল, সেক্সি, বুদ্ধিমান। আপনার ক্যারিসমায় অনেকে আপনার প্রতি আকৃষ্ট। তবে অন্যের ওপর অত্যধিক কর্তৃত্বফলানোর চেষ্টা করবেন না। একবার লক্ষ্য নির্ধারণ করলে, সেখানে পৌঁছনো থেকে কেউ আপনাকে আটকাতে পারবে না। সক্রিয় এবং গতিশীল, বিচারক্ষমতাসম্পন্ন, মানসিক দিক দিয়ে খুব শক্তিশালী, নজরকাড়তে পছন্দ করেন, কূটনীতিক, শান্ত্বনা দিতে পারেন, অন্যের সমস্যার সমাধান করতে পারেন সহজেই।

মে :

খুব বেশি ইচ্ছাশক্তির অধিকারী এবং আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকেন। নিজের ইচ্ছা শক্তির গুণে সবসময় সফল হতে দেখা যায় মে মাসে জন্মানো মানুষগুলোকে। সৃজনশীল কাজে পারদর্শী হয়ে থাকেন তারা। ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন।খুব সহজে রেগে যান এবং রাগ নিয়ন্ত্রণে একেবারেই অপারদর্শী। মাঝে মাঝে নিজের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের ফলে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন এবং সমস্যায় পড়ে যান।
জেদি, শক্ত-মনের, চিন্তা-ভাবনা খুবই প্রখর। সহজে রেগে যান। অনুভূতি খুবই গভীর। অন্যকে আকর্ষণ করতে পারেন। এঁদের মোটিভেশনের কোনও প্রয়োজন হয় না। সহজে শান্ত করা যায়। কান এবং গলায় সমস্যা থাকে।

জুন :

খুব রোম্যান্টিক, কিন্তু খুব জেলাস। ভালো প্রেমী এবং সেনসুয়াল। আপনার ভালোবাসার জীবন অত্যন্ত জটিল। মানব-হিতৈষী এবং দয়ালু। গসিপ করতে ভালোবাসেন। আপনি বাচ্চা ভালোবাসেন না, তবে পরিবারের প্রবীণ সদস্যরাই আপনার কাছে সবকিছু।

অনেক বেশি দূরদর্শী হয়ে থাকেন জুন মাসে জন্মানো মানুষজন। সব কিছু খুব ভালো করে ভেবে চিনতে করতে পছন্দ করেন। অনেক ভেবে চিনতে কাজ করেন। হাসিখুশি থাকতে পছন্দ করেন এবং বন্ধুভাবাপন্ন হয়ে থাকেন। খুব সহজে বিরক্ত হয়ে যান কোনো কিছুর ওপর এবং আবেগ খুব বেশি মাত্রায় ওঠা নামা করতে থাকে। অনেক বেশি সময় লাগে নিজের কষ্টটাকে ভুলতে। অনেক জেদি প্রকৃতির হয়ে থাকেন এরা।

জুলাই :

অনেক হাসিখুশি মানুষ হন জুলাই মাসে জন্মগ্রহণকারী মানুষগুলো। সেই সাথে প্রচণ্ড মাত্রায় আবেগী। নিজের কষ্টটা লুকিয়ে রাখতে বেশি পছন্দ করেন। এমন কিছু করতে চান সবসময় যে কাজে নিজেকে অনেক গর্বিত ভাবতে পারেন। মোটেও প্রতিশোধ পরায়ণ নন। বরং বেশ কোমল হৃদয়ের মানুষ হয়ে থাকেন। খুব বেশি অতীতমুখী এবং নিজেরাই নিজেদের কষ্টের জন্য দায়ী থাকেন। কিছু কিছু মানুষ মুডি হয়ে থাকেন। তবে তা শুধুমাত্রই আবেগের কারণে। কারো কাছ থেকে কষ্ট পেলে তা কখনোই ভোলেন না।
আপনারা খুব নম্র-ভদ্র, সংবেদনশীল। আপনার কাছে প্রচুর আইডিয়া থাকে। সবচেয়ে ভালোটিই আপনার চাই, আপনি খুব ব্র্যান্ড কনসিয়াস। জোকস ভালোবাসেন। তর্কশক্তি খুব ভালো। দিবাস্বপ্নে ব্যস্ত থাকেন। সহজে বন্ধু বানাতে পারেন, আবার সহজে আঘাতও পান। ঠান্ডার ধাত থাকে। মাঝেমধ্যেই নিজের আবেগ প্রকাশ করে থাকেন। হৃদয়ে আঘাত লাগলে, সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে সময় লাগে।

আগস্ট :

আপনি স্বাধীন, নেতা এবং সবকিছুই বিচার-বিশ্লেষণ করেন। আপনি খুব সৃষ্টিশীল। আপনার ক্যারিসমা এতটাই যে, আপনাকে কোনও প্রশ্ন না-করেই অন্য ব্যক্তি আপনাকে অনুসরণ করেন। জীবনে সাফল্যের জন্য মহিলাদের তুলনায় পুরুষের সাহায্যই আপনি বেশি পান। অন্যের তুলনায় অনেক বেশি ঐতিহ্যশালী জীবনযাপন করেন।

সর্বদা চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত থাকেন আগস্ট মাসে জন্মানো মানুষজন। অনেক বেশি আত্মনির্ভরশীল এবং স্বাধীনচেতা মনোমানসিকতার হয়ে থাকেন। খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহনে ও সৃজনশীল কাজে পারদর্শী। অনেক বন্ধুভাবাপন্ন হয়ে থাকেন তারা।খুব সহজে রেগে যান এবং প্রচণ্ড বদমেজাজি হয়ে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রেই ঈর্ষান্বিত হতে দেখা যায় এবং কিছুটা দুমুখো স্বভাবের হয়ে থাকেন।

সেপ্টেম্বর :

খুব কোমল হৃদয়ের এবং ঠাণ্ডা মাথার মানুষ হয়ে থাকেন সেপ্টেম্বরের মানুষেরা। অনেক বিশ্বস্ত এবং সহানুভূতিশীল হয়ে থাকেন। অনেক বেশি আবেগী হয়ে থাকেন কিন্তু প্রকাশ করতে চান না একেবারেই। অনেক ভেবে চিনতে কাজ করতে পছন্দ করেন। অনেক গম্ভীর থাকেন এবং মানুষের সাথে খুব বেশি মিশতে পারেন না। কিছুটা আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগে থাকেন।
এই মাসে যদি আপনার জন্ম হয় তবে আপনি খুব দুঃসাহসিক, আক্রমণাত্মক, অনুভূতিপ্রবণ, লাভিং, কেয়ারিং, উদার এবং নরম মনোভাবাপন্ন। আপনাদের স্মৃতিশক্তি খুবই ভালো। মাথা এবং বুকের রোগে আক্রান্ত হতে পারেন।

অক্টোবর :

অনেক সাহসী এবং চ্যালেঞ্জিং মনমানসিকতার হয়ে থাকেন। কিছুটা গাম্ভীর্য নিজের মধ্যে ধরে রাখলেও ভেতরটা অনেক শিশুসুলভ হয়ে থাকে। ঘুরে বেড়াতে অনেক পছন্দ করেন এবং অনেক বেশি বন্ধুভাবাপন্ন হয়ে থাকেন এই মাসের মানুষগুলো।অনেক বেশি মাত্রায় আবেগী এবং অভিমানী হয়ে থাকেন এরা। খুব সহজেই নিজের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন।
অক্টোবর মাসে যদি আপনার জন্ম হয় তবে আপনি বাস্তবতাকে ভালোবাসেন, বুদ্ধিমান, চালাক, আকর্ষণীয়, সেক্সি, রাগী, শান্ত, লাজুক, সত্‍‌। লক্ষ্যে পৌঁছতে বদ্ধপরিকর। স্বাধীনতাপ্রেমী, বাধাপ্রাপ্ত হলে বিপ্লবী হয়ে পড়েন। অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং সহজে আঘাত পেয়ে যান। সহজে রেগে গেলেও, তা সকলের সামনে প্রকাশ করেন না।

নভেম্বর :

কিছুটা দার্শনিক প্রকৃতির হয়ে থাকেন। অনেক কিছুই ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দিয়ে থাকেন। দিবাস্বপ্নে থাকতে বেশি পছন্দ করেন। অনেক কম কথা বলেন। সোজা কথার মানুষ, প্যাঁচের মানুষ নন একেবারেই। অন্যদের থেকে একেবারে আলাদা ধরণের চিন্তা করতে পছন্দ করেন।অনেক বেশি ভাগ্যে বিশ্বাসী এবং আলসে প্রকৃতির হয়ে থাকেন। এদের মনমানসিকতা একেবারেই বোঝা যায় না। অনেক কঠিন মনে হয় মানুষ হিসেবে।
আপনি সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে উপস্থিত থাকেন। প্রচুর অর্থের মালিক হন। কিন্তু খুব শিগগির সেই অর্থ হারিয়ে ফেলেন। আপনি কখনও বড় হয়ে উঠতে চান না, কিন্তু এটিই আবার মাঝেমধ্যে আপনাকে আরও বেশি ভালোবাসার যোগ্য করে তোলে। আপনার ব্যক্তিত্ব আকর্ষণীয়। আপনি সেক্সি, স্নেহশীল, লাজুক, স্বল্পভাষী, উদার, সহানুভূতিশীল, বিশ্বস্ত, মুডি, সঙ্গীতানুরাগী।

ডিসেম্বর :

অনেক বিশ্বস্ত এবং হাসিখুশি মানুষ হয়ে থাকেন। অনেক বেশি ভালবাসতে পারেন নিজের মানুষগুলোকে। মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করতে বেশ পছন্দ করেন। অনেক বেশি সেনসিটিভ হয়ে থাকেন। এবং তারা এক কথার মানুষ।খুব দ্রুত মুড চেঞ্জ হয়ে যায়। হুটহাট মেজাজ করতে দেখা যায়। যদি কাউকে অপছন্দ করেন তার ক্ষতি করার চেষ্টা করেন।
এই মাসে আপনার যদি জন্ম হয় তবে আপনি খুব শান্তি এবং নির্মলতা ভালোবাসেন। অন্যের জন্য কাজ করতে ভালোবাসেন। সহজে রেগে যান। স্বপ্ন দেখতে এবং নিজের কল্পনার জগত্‍‌ গড়ে তুলতে ভালোবাসেন। ভ্রমণপিপাসু। জীবনসঙ্গী/সঙ্গিনী খুঁজতে গিয়ে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। এঁরা সাধারণত অ্যাস্থমায় আক্রান্ত থাকেন। এঁরা স্কুলে খুব ভালো ফলাফল না-ও করতে পারেন। অনেক সময় এঁরা অস্বাভাবিক কেরিয়ার বেছে থাকেন। 

ভাল লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন 

শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০

কোন রাশির জাতক কোন রত্ন ধারন করবে দেখুন


বারো রাশির বৈশিষ্ট্য ও শুভ রাশিরত্ন


কোন রাশির কোন পাথর
পৃথিবীর বেশীর ভাগ মানুষ কখনো না কখনো নিজের জন্ম তারিখ মিলিয়ে তার কোন রাশি সেটা বেড় করার চেষ্টা করেছেন। হাতের কাছে পত্রিকা থেকে শুরু করে যে কোন জায়গায় পাওয়া রাশিফল অথবা রাশি সম্পর্কে তথ্য মানুষকে আকর্ষণ করে। রাশি বিশ্বাস করুক আর না করুন মানুষ অগোচরে হলেও নিজের কোন রাশি সেটা জেনে নেন। আমাদের এই লেখা টুকু আপনাদের সকলের জন্য, যারা জন্ম তারিখ মিলিয়ে নিজের রাশি, ঐ নির্দিষ্ট রাশি বর্ণনা এবং ঐ রাশির জন্য উপকারী রত্ন পাথর সম্পর্কে তথ্য জানতে আগ্রহী। যদিও উপকারী রত্ন পাথর নিয়ে কথা থেকে যায় যে, রত্ন পাথর আসলেই মানুষের উপকার করে কিনা? এমন প্রশ্নের উত্তরে বলতে পারি যে, যদি রত্ন পাথর ব্যবহারে সকল মানুষের উপকার হত তাহলে পৃথিবীতে আর কারো কোন সমস্যা থাকতো না। আবার রত্ন পাথরে যদি মানুষ একেবারেই কোন উপকার না পেত আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় তাহলে কিন্তু শতশত বছর ধরে লক্ষ কোটি মানুষ লক্ষ লক্ষ টাকা খচর করে পাথর ব্যবহার করতো না। আসল কথা হচ্ছে কে উপকার পাবেন সেটা আল্লাহ্‌র ইচ্ছা। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে পাথর ব্যবহার করতে গিয়ে যেন নকল পাথর ব্যবহার করা না হয়। তাহলে ফলাফল শুন্য ছাড়া আর কি হবে?

মেষ রাশি (Zodiac Aries)

যে সকল জাতক জাতিকাদের জন্ম ইংরেজি March 21- April 20 অথবা বাংলা চৈত্র ৮ থেকে বৈশাখ ৭ তারিখের মধ্যে তাদের মেষ রাশি। মেষ রাশি মঙ্গলগ্রহের জাতক। জয়ের নেশায় প্রাণান্ত লড়াই করা মেষ জাতকের স্বভাব। মেষ জাতক-জাতিকার মধ্যে সাহস, ব্যক্তিত্ব ও তেজস্বী মনোভাবের প্রাবল্য থাকে। মেষ রাশির জন্মকালে মঙ্গল, রবি, বৃহস্পতি ও বুধ অনুকূল থাকলে তা জীবন সংগ্রামে সাফল্য আনতে বিশেষ সহায়তা করে। সব কাজে এরা নেতৃত্ব দিয়ে থাকে। এদের জীবনীশক্তি অত্যধিক।
রং : সবুজ,
শুভ সংখ্যা : ১৯
অধিপতি গ্রহঃ মঙ্গল
শুভ রাশি রত্ন পাথরঃ Red Coral Stone রক্ত প্রবাল পাথর

বৃষ রাশি (Zodiac Taurus)

আপনার জন্ম তারিখ যদি ইংরেজি এপ্রিল ২১ থেকে মে ২১ তারিখ অথবা বাংলা সনের বৈশাখ ৮ থেকে জ্যৈষ্ঠ ৭ এর মধ্যে হয় তাহলে আপনার বৃষ রাশি। বৃষ রাশির মধ্যে রয়েছে এক অনমনীয় দৃঢ়তা অথচ তাদের মধ্যে স্নেহ, মমতা, ভালোবাসা ও আনন্দ উপভোগের অভিলাষও কম নয়। এরা সাধারণত ধীরস্থির, ভদ্র ও শান্ত প্রকৃতির হয়ে থাকে। এরা সুশৃঙ্খল এবং আইন-কানুনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়। এরা যে কাজে নিযুক্ত হয় সে কাজে সাফল্য লাভের তীব্র ইচ্ছা পোষণ করে। নতুন বছর বছরের আগাগোড়াই স্বাস্থ্য মোটামুটি ভালো যাবে। অবিবাহিতদের হঠাত্ বিয়ের যোগ, নতুন কেউ বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেবে। বিপরীত লিঙ্গের কেউ সুন্দর বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারে। ব্যবসা ক্ষেত্রে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। বৈদেশিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টা এ বছর সাফল্যের মুখ দেখবে।
শুভ রং নীলা
শুভ সংখাঃ ৪
অধিপতি গ্রহঃ শুক্র
শুভ রাশি রত্ন পাথরঃ Diamon (হীরা), Zircon (জারকন), Turquoise (ফিরোজা), Emerald (পান্না)

মিথুন রাশি (Zodiac Gemini)

আপনার জন্ম তারিখ যদি ইংরেজি মে মাসের ২২ থেকে জুন মাসের ২১ তারিখ অথবা বাংলা জ্যৈষ্ঠ ৮ থেকে আষাঢ় ৭ এর মধ্যে হয়ে থাকে তাহলে আপনি মিথুন রাশির জাতক অথবা জাতিকা। মিথুন রাশি বুধ গ্রহের জাতক। বড় রহস্যপূর্ণ এই রাশি। দ্বৈততা এদের চরিত্রে প্রকট। বৈচিত্র্যপ্রিয় এই রাশির পুরুষ জাতকের যেমন রয়েছে দৃঢ়তা, কর্মশক্তি ও উত্পাদন শক্তি, তেমনি জাতিকার রয়েছে নারীসুলভ মমতা, নম্রতা, ভালোবাসা এবং স্নেহ। এদের বুদ্ধি খুব তীক্ষ হয়ে থাকে। সৃজনশীল কাজ, শিল্প-সাহিত্য, সংগীত, নৃত্য এবং অভিনয়ে এদের যোগ্যতা থাকে। এদের মধ্যে উদারতা, পর দুঃখকাতরতা এবং দৈবানুভূতি প্রবল হয়। একই সঙ্গে দুটো কাজে লেগে থাকা মিথুনের আরেকটি স্বভাব। নির্ভীক ও আত্মবিশ্বাসীও এদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।
শুভ রং লাল
শুভ সংখাঃ ৭
অধিপতি গ্রহ বুধ
শুভ রাশি রত্ন পাথরঃ Yellow Sapphire Stone (পোখরাজ পাথর) ও Emerald Stone (পান্না পাথর)

কর্কট রাশি (Zodiac Cancer)

ইংরেজি জুন ২২ থেকে জুলাই ২২ তারিখ অথবা বাংলা আষাঢ় ৮ থেকে শ্রাবণ ৭ এর মধ্যে যাদের জন্ম তাদের সকলের কর্কট রাশি। কর্কট চন্দ্রগ্রহের জাতক। এটি জল রাশি এবং এর অর্থ কাঁকড়া। এ রাশির জাতক-জাতিকারা ঘরমুখী, সংবেদনশীল, আত্মকেন্দ্রিক ও খেয়ালি স্বভাবের হয়ে থাকে। এরা অতিরিক্ত কল্পনা ও আবেগপ্রবণ। এরা নিজের মনকে বেশি প্রাধান্য দেয়। আনন্দের নেশা এদের মধ্যে যেমন প্রবল হয়, তেমনি মাঝে মধ্যেই বিষন্নও হয়ে ওঠে। অন্যের জন্য কিছু করলেও প্রতিদানে খুব একটা পায় না তারা। পরোপকারের প্রতি ঝোঁক রয়েছে, সবাইকে আপন করে নিতে চায়। এদের স্মৃতিশক্তি বেশ তীক্ষ্ণ।
শুভ রঙ সাদা
শুভ সংখ্যাঃ ২
অধিপতি গ্রহঃ চন্দ্র
উপকারী রত্নঃ Red Coral Stone (রক্ত প্রবাল পাথর) ও Pearl Stone (মুক্তা পাথর)

সিংহরাশি (Zodiac Leo)

যে সকল জাতক জাতিকারা জুলাই ২৩ থেকে অগাস্ট ২৩০ অথবা বাংলা তারিখ শ্রাবন ৮ থেকে ভাদ্র ৮ এর মধ্যে জন্ম তাদের সিংহ রাশি। এদের মধ্যে রাজকীয় ভাব বিদ্যমান। এদের আভিজাত্যের প্রতি মোহ থাকে। এরা উদার, দৃঢ়সংকল্প এবং নেতৃত্বশক্তির অধিকারী হয়। ঈষৎ গর্বিত, আগ্রহী এবং অন্যদের আকর্ষণ করানোর ক্ষমতা এদের প্রবল। বিশৃঙ্খলা একেবারেই ভালোবাসে না এরা। সবার জন্য নিজের স্নেহপ্রীতি, ভালোবাসা উজাড় করে দেয়। নিজের বিচার-বুদ্ধির ওপর তীব্র আস্থা থাকে, প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাসী হয়। অনেক সময় প্রতিহিংসাপরায়ণ ও জেদের বশবর্তী হয়ে ট্র্যাজেডির শিকার হয়।
শুভ রং হলুদ।
শুভ সংখ্যা ৮।
অধিপতি গ্রহঃ রবি
শুভ রাশি রত্নঃ Ruby Stone (রত্ন পাথর রুবি)

কন্যা রাশি (Zodiac Virgo)

আপনি যদি ইংরেজি আগস্ট মাসের ২৪ থেকে সেপ্টেম্বর মাসের ২৩ তারিখ অথবা বাংলা সনের ভাদ্র ৯ থেকে আশ্বিন ৮ তারিখের মধ্যে জন্ম গ্রহন করে থাকেন তাহলে আপনি কন্যা রাশির জাতক অথবা জাতিকা। কন্যা রাশি বুধ গ্রহের জাতক। যে কন্যা রাশির জাতিকা কুমারী তাকে পবিত্রতার প্রতীক হিসেবে মানা হয়। এ জাতিকা সাধারণত সরলতার কারনের আশেপাশের সকলের মাঝে বিশ্বাসের জন্ম দিতে পারে। পবিত্রতা এবং সরলতা ছাড়াও এ রাশির জাতক জাতিকারা উচ্চাকাঙ্ক্ষা পোষণ করে এবং যে কোন কাজের শক্তি তারা এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা থেকেই পেয়ে থাকে। তবে এদের মাঝে আবেগ দিয়ে কাজ করার প্রবনতা বেশী দেখা যায় বলে এর যে কোন কিছুতে হুট করে অভিমান করে ফেলতে পারে। বাস্তবতার থেকে এরা আবেগকে বেশী গুরুত্ত দেয় বলে এরা কারো কোন খারাপ কথা বা সমালোচনা মেনে নিতে পারেনা। ধরুন কেও একজন সকাল সকাল কোন কন্যা রাশির জাতক বা জাতিকাকে একটু সমালোচনা করেছে। ফলে এই বিষয়টি সারাদিন ঐ মানুষটিকে মানুষিক যন্ত্রণা দেবে। এরা সুন্দর জিনিসটি ভালো বোঝে, ঘুরে বেড়ানো বা ভ্রমন করা এদের পছন্দের।
শুভ রঙ বাদামী
শুভ সংখ্যাঃ ৪
অধিপতি গ্রহঃ বুধ
উপকারী রত্ন পাথরঃ Emerald Stone (রাশি রত্ন পাথর পান্না)

তুলারাশি (Zodiac Libra)

তুলা রাশির জাতক জাতিকারা ইংরেজি সেপ্টেম্বর মাসের ২৪ তারিখ থেকে অক্টোবর ২৩ অথবা বাংলা মাসের আশ্বিন ৯ থেকে কার্তিক ৮ তারিখের মধ্যে জন্ম গ্রহন করেছে তাদের সকলের তুলা রাশি (Libra) এ রাশির জাতক-জাতিকার বিচার-বিশ্লেষণ ও লোকচরিত্র বোঝার ক্ষমতা প্রবল। এরা ভারসাম্যপূর্ণ, সুহূদয় ও বুদ্ধিদীপ্ত হয়ে থাকে। জাতকের আনন্দের নেশা ও বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ প্রবল। ভোগবিলাসে এদের সুরুচির প্রকাশ ঘটে থাকে। ন্যায়সঙ্গত মতপ্রকাশে পশ্চাৎপদ হয় না।
শুভ রং হলুদ
শুভ সংখাঃ ৯
অধিপতি গ্রহঃ বুধ ও শুক্র
উপকারী রত্নঃ পান্না পাথর (Emerald Stone) হীরা (Diamond) ও জারকন (Zircon)

বৃশ্চিক রাশি (Zodiac Scorpio)

বৃশ্চিক রাশির জাতক অথবা জাতিকা হতে হলে অবশ্যই আপনাকে অক্টোবর মাসের ২৪ তারিখ থেকে নভেম্বর মাসের ২২ তারিখ অথবা বাংলা কার্তিক মাসের ৯ তারিখ থেকে অগ্রহায়ন ৮ এর মধ্যে জন্ম গ্রহন করতে হবে। রাশিচক্রের অষ্টম রাশি বৃশ্চিক, শাসকগ্রহ মঙ্গল। এ রাশির জাতক-জাতিকারা কাজপাগল, ইচ্ছাশক্তি প্রবল, প্রয়োজনে বিদ্যুৎগতিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে। অন্যের দোষ ধরতে পারদর্শী, পান থেকে চুন খসলে তিক্ত কথা শুনিয়ে দিতে পশ্চাৎপদ হয় না। এরা স্বাধীনপ্রিয় ও দূরদর্শী, বহু আগে থেকেই পরিকল্পনা করে একটু একটু করে লক্ষ্যে পৌঁছায়। প্রতিশোধ নেওয়ার ইচ্ছা দীর্ঘদিন মনের মধ্যে পুষে রাখতে পারে।
শুভ রং লাল
শুভ সংখাঃ ৩
অধিপতি গ্রহঃ মঙ্গল
উপকারী রত্ন পাথরঃ রক্ত প্রবাল পাথর (Red Coral Stone)

ধনু রাশি (Zodiac Sagittarius)

ইংরেজি মাস নভেম্বরের ২৩ তারিখ থেকে ডিসেম্বরের ২১ তারিখ অথবা বাংলা মাস অগ্রহায়ণ ৯ থেকে পৌষ মাসের ৭ তারিখ এর মধ্যে যে সকল জাতক জাতিকাদের জন্ম তাদের ধনু রাশি (Sagittarius) ধনু রাশি বৃহস্পতি গ্রহের জাতক। এরা সত্যবাদী, আবেগী, প্রখর আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন এবং অন্যায় সহ্য করে না। অন্যরা সহজেই এদের ভুল বোঝে। এরা খুঁটিনাটি বিষয়ের প্রতি বেশি লক্ষ্য করে। অপ্রিয় সত্য কথা বলার জন্য শত্রু সৃষ্টি হয়। লক্ষ্য অর্জনে নিরলসভাবে কাজে ব্রতী হয়। সমাজসেবায় সুনাম লাভ করে থাকে। গুরু, শিক্ষক ও উপদেষ্টার ভাব প্রবল এদের মধ্যে।
শুভ রং নীল
শুভ সংখ্যাঃ ৯
অধিপতি গ্রহঃ বৃহস্পতি
শুভ রত্ন পাথরঃ Yellow Sapphire Stone (পোখরাজ পাথর)

মকর রাশি (Zodiac Capricon

যে সকল জাতক জাতিকাদের জন ইংরেজি ডিসেম্বর মাসের ২২ তারিখ থেকে জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখ অথবা বাংলা সনের পৌষ মাসের ৮ তারিখ থেকে মাঘ মাসের ৭ তারিখের মধ্যে জন্ম তারা মকর রাশি (Capricon)। Dec 21-Jan 20) এরা শনিগ্রহের জাতক। ধৈর্য, শ্রম ও কষ্ট সহিষ্ণুতার প্রতীক মকর জাতক-জাতিকা। এদের অন্তর্দৃষ্টি তীক্ষ। প্রায় সর্ব ক্ষেত্রেই এরা যোগ্য দেখাতে পারে। কর্তব্য, প্রেম ও সামাজিকতার ব্যাপারে সাধারণ থেকে একটু স্বতন্ত্র হয়। দায়িত্বজ্ঞান, সময়জ্ঞান ও নিয়মনিষ্ঠা প্রবল হয়ে থাকে।
শুভ রং সাদা
শুভ সংখ্যা ১২
অধিপতি গ্রহঃ শনি
শুভ রত্ন পাথরঃ Blue Sapphire Stone (রত্ন পাথর ইন্দ্র নীলা)

কুম্ভ রাশি (Zodiac Aquarius)

যে মানুষ গুলো ইংরেজি জানুয়ারি ২১ থেকে ফেব্রুয়ারি ১৮ অথবা বাংলা মাঘ ৮ থেকে ফাল্গুন ৬ তারিখে মধ্যে জন্ম গ্রহন করেন তাদের কুম্ভ রাশির (Aquarius) জাতক অথবা জাতিকা। এরা নিঃস্বার্থ ও পবিত্র হয়ে থাকে। এদের আত্মবিশ্বাস প্রবল হয়। এরা নিষ্ঠাবান, মানবপ্রেমী, সংবেদনশীল, আত্মাভিমানী ও আবদারপ্রিয়। জনপ্রিয় হলেও ঘনিষ্ঠ বন্ধুর সংখ্যা কম হয়ে থাকে। ভোগ ও ত্যাগ দুই ব্যাপারেই বিশেষভাবে পারদর্শী। অত্যন্ত আরামপ্রিয় ও কিছুটা অবাস্তববাদিতার জন্য সাফল্যে বাধা আসে। ভাবপ্রবণতাকে প্রশ্রয় দিলে এদের জীবন নিরাশপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
শুভ রঙ সবুজ
শুভ সংখ্যাঃ ৮
অধিপতি গ্রহঃ শনি
উপকারী রত্নঃ Blue Sapphire Stone (ইন্দ্র নীলা পাথর) ও Garnet Stone (গোমেদ পাথর)।

মীনরাশি (Zodiac Pisces)

ইংরেজি মাস ফেব্রুয়ারি ১৯ থেকে মার্চ ২০ তারিখ অথবা বাংলা মাস ফাল্গুন ৭ থেকে চৈত্র ৭ তারিখের মধ্যে যে সকল জাতক জাতিকাদের জন্ম তাদের মীন রাশি। রাশি বলয়ের সর্বশেষ রাশি মীন, গ্রহ বৃহস্পতি। এই রাশির জাতক-জাতিকারা তীব্র কৌতূহলী এবং জীবনকে দেখে বিশেষ দৃষ্টিকোণ থেকে। সহানুভূতি ও ক্ষমা এদের বিশেষ গুণ। প্রেম ও ধর্মের প্রতি বিশেষ আগ্রহ থাকে। মানুষের মন ও চিন্তাকে সঠিকভাবে বুঝতে পারে।
শুভ রং :হলুদ
শুভ সংখ্যাঃ ৪
অধিপতি গ্রহঃ বৃহস্পতি
উপকারী রত্ন পাথরঃ Yellow Sapphire (পোখরাজ পাথর)

কোন গ্রহের কারনে কি কি অংশে মানব দেহে বিস্থার ঘটে দেখুন

কোন গ্রহের কারনে কি কি অংশে মানব দেহে বিস্থার ঘটে দেখুন জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নয়টি গ্রহ রয়েছে। রবি চন্দ্র মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রা...

all kinds of Natural Gemstone Seller With Lab Certificate