গ্রহ শান্তি :-
রবিগ্রহ শান্তির উপায় – প্রতিদিন সকালে স্নান করে তামার ঘটিতে জল নিয়ে সূর্য্য দেবকে ওঁ আদিত্যায় নমঃ / ওঁ ঘৃণী সূর্য্যায় নমঃ - মন্ত্র ৫/৭ বার উচ্চারণ করে জল অর্পণ করিলে সূর্য্যদেব খুশি হন এবং ধীরে ধীরে জাতকেও খুশী নজরে দেখতে থাকেন ।
চন্দ্রগ্রহ শান্তির উপায় – কোন বিধবা মায়েদের আশ্রমে গিয়ে ভক্তিমনে মায়েদেরকে আতপচাল,দুধ, চিনী, বা পারিলে বস্ত্র দান করে মায়েদের চরণ স্পর্শ করে আশির্বাদ নিয়ে খুশী করালে চন্দ্রগ্রহ খুশী হয়ে জাতককে ধীরে ধীরে শান্তি প্রদান করেন এবং চন্দ্রদোষ হতে মুক্তি দেন।
মঙ্গলগ্রহ শান্তির উপায় – প্রতি মঙ্গলবার বজরঙ্গবলী মন্দিরে পূজো-পাঠ উপাসনা করে লোককে মিষ্টিমুখ করালে হনুমান ও মঙ্গলগ্রহ খুশী হয়ে ধীরে ধীরে জাতকের বিপদ মুক্ত করে শান্তি প্রদান করেন। কিন্তু কোন কোন জাতকের উপর পূর্ব্ব-জন্মের কর্মে মঙ্গলের পিতৃ-ঋণ বা দোষ থাকে তার উপায় জন্মপত্রিকার উপর নির্ভর করবে।
বুধপ্রহ শান্তির উপায় – প্রতিদিন সকালে স্নান করে ভক্তি ভাবে বুধগ্রহর নাম অনুসরন করে কলাগাছে জলঅর্ঘ দিবেন। নবগ্রহ মন্দিরে আস্ত মুগ-কলাই ও সবুজ ফল দান করিবেন। এবং ছোট কোন বাচ্চাদের হাতে আস্ত ফল দান করিলে বুধগ্রহ খুশী হয়ে জাতককে শুভফল প্রদান করিবেন।
বৃহস্পতির দোষে শান্তির উপায় – ছোলারডাল , Vhojya , পাকা কলা , হলুদবস্ত্র - ব্রাহ্মনকে ভক্তি ভাবে দানকরে চরণস্পর্শ করে আশির্বাদ নিলে গুরু বৃহস্পতিগ্রহ খুশী থাকেন এবং জাতককে বিপদ মুক্তির রাস্তা দেখান ও শান্তি প্রদান করেন।
শুক্র গ্রহর দোষে শান্তির উপায় – শুক্র গ্রহর দোষ থাকিলে জাতক জল দান করা খুবই শুভফল দায়ক যত পারা যায় জল দান করুন কিন্তু শ্রদ্ধাভক্তি মনে। দেখবেন শুক্র গ্রহ দেব ধীরে ধীরে আপনাকে শুভফল প্রদান করিবেন এবং আপনার সময় পরিবর্তনের সুযোগ দেখাদেবে।
শনি গ্রহর দোষ থাকিলে – প্রতি শনিবারে স্নান সেড়ে শনি মন্দিরে কিছু প্রসাদ চরাবেন সঃতেল লোহার ত্রিশুল কালো কাপড় মন্দিরে দান করিবেন এবং অশথ্ব গাছের মূলে চিনী গুড় মিশ্রিত জল শনিদেবের নাম বা মন্ত্র উচ্চারন করে অর্পণ করে থাকলে আপনার দূঃখ দূর্দশা ধীরে ধীরে মোচন হবে এবং শনিদেব খুশীহলে আপনার প্রতি শুভদৃষ্টিতে নজর দেবেন তবেই জাতক সুখী থাকিবেন।
রাহু গ্রহর দোষ থাকিলে – জাতক শনিবারে মাঝে মাঝে ইক্ষু গুড় দান করতে হয় এবং নিজে গুড় বা গুড়ের যে কোন জিনিষ না খাওয়াটা ভালো। সূর্য্যগ্রহণের দিন নারিকেল জলে ভাসিয়ে দিতেহয়। বাড়ীতে রাত্রিতে নারিকেল বাদাম মাংস মশলা ভাজা বা খাওয়া খুবই ক্ষতিকর হয়।তার জন্য এ সমস্ত ত্যাগ করে সর্বদা হনুমানজীর পুজোপাঠে মন দিলে খুবই শান্তি পাবেন।
কেতু গ্রহর দোষ থাকিলে – জাতক শনিবারে মাঝে মাঝে সাদাকালো কম্বল, ছাগল এবং
ধোঁয়া-বর্ণের কাপড় কলা, দান করিলে কেতুগ্রহ খুশী হয়ে জাতককে শুভফল প্রদান করেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন