যৌন দূর্বলতা ও দাম্পত্য জীবন
সুপ্রভাত
****যৌন দূর্বলতা ও দাম্পত্য জীবন***
যৌন দুর্বলতা কাটাতে সহজ এই জ্যোতিষ বিধান মেনে চলুন, ফল পাওয়া যাবেই
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, শুক্র প্রতিটি জাতক জাতিকার মধ্যে সেক্সুয়াল অর্থাৎ যৌন আবেগের প্রভাব ঘটায়। যার প্রভাবেই নর-নারী উভয়ে উভয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়।কিন্তু এই শুক্ত যদি কেতু যুক্ত হয়ে লগ্নের সপ্তমে থেকে থেকে মঙ্গলের পূর্ণ দৃষ্টি প্রাপ্ত হয় তাহলে বিকৃত যৌনতা প্রকাশ পায়।
যৌন দুর্বলতা কাটাতে সহজ এই জ্যোতিষ বিধান মেনে চলুন, ফল পাওয়া যাবেই
বৈবাহিক জীবনের সুখ-শান্তি অনেকটাই নির্ভর করে যৌন সুখের উপর ৷ এই সুখে বিঘ্ন ঘটলে দাম্পত্য জীবনেও আসবে অশান্তি, সমস্যার সূত্রপাত হবে ৷ তাই বিবাহের আগে এই বিষয়গুলির দিকে নজর রাখলে ভাল ৷ কিন্তু তারপরেও যদি যৌন দুর্বলতা আসে, সেই সমস্যা প্রতিকারও সম্ভভ হয় জ্যোতিষ বিধান মেনেই ৷জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, শুক্র প্রতিটি জাতক জাতিকার মধ্যে সেক্সুয়াল অর্থাৎ যৌন আবেগের প্রভাব ঘটায়। যার প্রভাবেই নর-নারী উভয়ে উভয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়।চন্দ্রের কাজ হল এই যৌন আবেগকে আরও মধুর মিলনে সহযোগিতা করা।
বুধ সঙ্গে সঙ্গে প্রদান করে বালক সুলভ যৌন পরিতৃপ্তি না পাবার চঞ্চলতা ও সবল স্নায়ু।
রবি প্রদান করে শরীরের যৌন উষ্ণতা।রাহু দেয় ভোগ করার স্পৃহা, মঙ্গল শারীরিক কসরত।রবি ও শুক্র যৌথভাবে প্রদান করে বীর্য।
আর শনি প্রদান করে সর্বশেষে যৌন-ক্রিয়ার বিতৃষ্ণা।সপ্তম স্থানে যদি শুক্র, রাহু, মঙ্গল একত্রে অবস্থান করে তবে বিকৃত যৌন ভাবের জন্ম দেয়।সপ্তম-স্থানে শনি নীচস্থ বুধ বক্রী ও মঙ্গল অবস্থান করলে যৌনাঙ্গের ত্রুটি নির্দেশ করে।(যার ফলে জাতক ধর্ষক অবধি হতে পারে)।যাদের স্নায়ুবিক দুর্বলতার দরুন যৌন সমস্যা দেখা দিচ্ছে তারা বিলম্ব না করে জ্যোতিষীর পরামর্শ মতো পান্না বা বৈদূর্যমণি ধারণ করুন। যৌন সমস্যার জন্য হিরে, পান্না, মুক্ত ধারণ করতে পারেন। পাশাপাশি যৌন সমস্যার জন্য চিকিৎসকের সাহায্যও নিতে পারেন আপনি ৷ তবে, সব দিক ভাল ভাবে না জেনে নিজের চিকিৎসা নিজে করবেন না ৷ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ না নিলে হিতে বিপোরীত হতে পারে ৷
এই বিষয়ে জোতিষীক প্রতিবিধানের জন্য অভিজ্ঞ জোতিষের পরামর্শ প্রয়োজন।
প্রতিকার
শুক্রের বীজমন্ত্র সাদা রঙের পোশাক পরে ভবনেশ্বরী যন্ত্রম দেখে
———
মন্ত্র – ওঁ হ্রীং শ্রীং শুক্রায়। জপ সংখ্যা – ১০০৮ বার।
গায়ত্রী– ওঁ ভৃগুসুতায় বিদ্মহে দিব্যদেহায় ধীমহিঃ তন্নঃ শুত্রঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম– ওঁ হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্। সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা – ভুবনেশ্বরী।
ধারণরত্ন – হীরা, ধূপ – গুগুল, বার – শুক্রবার, প্রশস্ত সময় – সন্ধ্যাবেলা।
****যৌন দূর্বলতা ও দাম্পত্য জীবন***
যৌন দুর্বলতা কাটাতে সহজ এই জ্যোতিষ বিধান মেনে চলুন, ফল পাওয়া যাবেই
জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, শুক্র প্রতিটি জাতক জাতিকার মধ্যে সেক্সুয়াল অর্থাৎ যৌন আবেগের প্রভাব ঘটায়। যার প্রভাবেই নর-নারী উভয়ে উভয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়।কিন্তু এই শুক্ত যদি কেতু যুক্ত হয়ে লগ্নের সপ্তমে থেকে থেকে মঙ্গলের পূর্ণ দৃষ্টি প্রাপ্ত হয় তাহলে বিকৃত যৌনতা প্রকাশ পায়।
যৌন দুর্বলতা কাটাতে সহজ এই জ্যোতিষ বিধান মেনে চলুন, ফল পাওয়া যাবেই
বৈবাহিক জীবনের সুখ-শান্তি অনেকটাই নির্ভর করে যৌন সুখের উপর ৷ এই সুখে বিঘ্ন ঘটলে দাম্পত্য জীবনেও আসবে অশান্তি, সমস্যার সূত্রপাত হবে ৷ তাই বিবাহের আগে এই বিষয়গুলির দিকে নজর রাখলে ভাল ৷ কিন্তু তারপরেও যদি যৌন দুর্বলতা আসে, সেই সমস্যা প্রতিকারও সম্ভভ হয় জ্যোতিষ বিধান মেনেই ৷জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে, শুক্র প্রতিটি জাতক জাতিকার মধ্যে সেক্সুয়াল অর্থাৎ যৌন আবেগের প্রভাব ঘটায়। যার প্রভাবেই নর-নারী উভয়ে উভয়ের প্রতি আকৃষ্ট হয়।চন্দ্রের কাজ হল এই যৌন আবেগকে আরও মধুর মিলনে সহযোগিতা করা।
বুধ সঙ্গে সঙ্গে প্রদান করে বালক সুলভ যৌন পরিতৃপ্তি না পাবার চঞ্চলতা ও সবল স্নায়ু।
রবি প্রদান করে শরীরের যৌন উষ্ণতা।রাহু দেয় ভোগ করার স্পৃহা, মঙ্গল শারীরিক কসরত।রবি ও শুক্র যৌথভাবে প্রদান করে বীর্য।
আর শনি প্রদান করে সর্বশেষে যৌন-ক্রিয়ার বিতৃষ্ণা।সপ্তম স্থানে যদি শুক্র, রাহু, মঙ্গল একত্রে অবস্থান করে তবে বিকৃত যৌন ভাবের জন্ম দেয়।সপ্তম-স্থানে শনি নীচস্থ বুধ বক্রী ও মঙ্গল অবস্থান করলে যৌনাঙ্গের ত্রুটি নির্দেশ করে।(যার ফলে জাতক ধর্ষক অবধি হতে পারে)।যাদের স্নায়ুবিক দুর্বলতার দরুন যৌন সমস্যা দেখা দিচ্ছে তারা বিলম্ব না করে জ্যোতিষীর পরামর্শ মতো পান্না বা বৈদূর্যমণি ধারণ করুন। যৌন সমস্যার জন্য হিরে, পান্না, মুক্ত ধারণ করতে পারেন। পাশাপাশি যৌন সমস্যার জন্য চিকিৎসকের সাহায্যও নিতে পারেন আপনি ৷ তবে, সব দিক ভাল ভাবে না জেনে নিজের চিকিৎসা নিজে করবেন না ৷ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ না নিলে হিতে বিপোরীত হতে পারে ৷
এই বিষয়ে জোতিষীক প্রতিবিধানের জন্য অভিজ্ঞ জোতিষের পরামর্শ প্রয়োজন।
প্রতিকার
শুক্রের বীজমন্ত্র সাদা রঙের পোশাক পরে ভবনেশ্বরী যন্ত্রম দেখে
———
মন্ত্র – ওঁ হ্রীং শ্রীং শুক্রায়। জপ সংখ্যা – ১০০৮ বার।
গায়ত্রী– ওঁ ভৃগুসুতায় বিদ্মহে দিব্যদেহায় ধীমহিঃ তন্নঃ শুত্রঃ প্রচোদয়াৎ।
প্রণাম– ওঁ হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্। সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণমাম্যহম্॥
ইষ্টদেবতা – ভুবনেশ্বরী।
ধারণরত্ন – হীরা, ধূপ – গুগুল, বার – শুক্রবার, প্রশস্ত সময় – সন্ধ্যাবেলা।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন