বৃহস্পতিবার এ জন্ম জাতক জাতিকা কেমন হবে
সুপ্রভাত
বিজ্ঞানের অধিক প্রসারনের ফলে আমরা আধুনিকতার স্পর্শ অনুভব করে থাকি। কিন্তু যতই আধুনিক হই না কেন তবুও কি আমরা শাস্ত্র, ধর্ম, গ্রহ এদের কে অমান্য ও অবিশ্বাস করতে পেরেছি? নিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে যতই আধুনিক যুক্তিতে দাঁড়করাই না কেনো কোথাও না কোথাও কুণ্ডলি বিচার করে থাকি। তাই আধুনিক হলেও পুরাণ কে অবিশ্বাস করতে পারি না। মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহ দের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়। আজকে জানবো বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব ও বৈশিষ্ট্য।
জ্যোতিষ শাস্ত্রের মতে যে সমস্ত ব্যক্তির জন্ম বৃহস্পতিবারে তারা শাস্ত্রজ্ঞ আচার, সত্যনিষ্ঠ, ধার্মিক, পরোপকারী, সুবিচারক ও ধীরস্থির প্রকৃতির হয়। এরা একদিকে যেমন কর্মঠ হয়, অন্যদিকে রাগী ও স্বেচ্ছা-চারি হয়। এদের সাহিত্য, সাংবাদিকতা, চিকিৎসা, অধ্যপনা প্রভৃতি বিষয়ে যোগ্যতা থাকবে।
ব্যক্তিত্ব – সাপ্তাহিক পঞ্চম দিন হলো বৃহস্পতি। এই দিনের স্বামী গ্রহ দেবগুরু বৃহস্পতিকে মানা হয়ে থাকে। এই দিন জন্মানো ব্যাক্তি কে বিচক্ষন ও সাহসী বলে মনে করা হয়ে থাকে। যে কোনও কাজে এরা পিছিয়ে থাকে না। অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করে থাকে এরা। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি খুব তাড়াতাড়ি অন্য ব্যাক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয় ও ব্যবহাররীক চরিত্র খুব ভালো হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি রা সর্বদা জাতকের সঙ্গ দিয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তিরা লম্বা, ফর্সা, ও সুন্দর হয়ে থাকে। এই দিন জন্মানো জাতকের 7, 12, 13, 16 ও 30 বছর বয়সে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি এরা সেটাকে অতিক্রম করে বেরিয়ে আসে, এরা জীবনকে খুব উৎসাহের সাথে উপভোগ করে থাকে। এই ব্যাক্তি রা ভবিষ্যতের কথা খুব কম ভাবে কিন্তু বর্তমান কে নিয়ে এরা খুব বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে।
বৃহস্পতিবার জন্মানো নারীরা একটু ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসী ও আস্থাশীল হয়ে থাকে। এরা পুজো-অর্চনার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হয়ে থাকে। এরা হয় খুব আধুনিক চিন্তাশীল না হলেও খুব পুরাণধার্মী হয়ে থাকে না। এরা খুব পরোপকারী হয়ে থাকে। সবাইকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। এরা সবার প্রতি খুব দয়াশীল হয়ে থাকে। এই বারে জন্মানো জাতক ধনী, ও সমৃদ্ধিময় হয় কিন্তু কিছু সময় এরা একটু লালসাধর্মী হয়ে পড়ে। সময়ে এরা খুব বুদ্ধিশীল হয়ে থাকে।
স্বাস্থ্য – বৃহস্পতিবার জন্মানো ব্যাক্তি লিভার এর রোগে আক্রান্ত হন। এদের হৃদরোগ ও আকস্মিক স্থুলতার লক্ষণ দেখা যায়। তাই এই ব্যাক্তির শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়া, যোগা করা উচিত।
ক্যারিয়ার – বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক অধিক চিন্তা শীল ও খুব বুদ্ধিমান হয়ে থাকে। এরা সাধারণত ধার্মিক, দার্শনিক, পত্রিকার, রাজনীতিবিদ ও লেখক প্রভৃতি তে সফলতা লাভ করে থাকে। এরা যাকে জীবনসঙ্গীনী হিসাবে নির্বাচন করে থাকেন সর্বদা তার সাথ দিয়ে থাকেন। এদের বৈবাহিক বন্ধন খুব সুখের হয়ে থাকে। খুব সভ্য ও সালীন জীবনযাপন করে থাকে। নারীরা খুব নম্র প্রাকৃতির হয়।এদের শুভ রং হলুদ হয়। শুভ সংখ্যা 4 ও শুভ দিন বৃহস্পতিবার ও মঙ্গলবার হয়। এই গ্রহে জন্মানো ব্যাক্তি বিশেষ গুনধর্মী চরিত্রের হয়।
এদের স্বভাব কেমন হয়? কথাতেই বলে বৃহস্পতির দশা মানেই অর্থ, সম্পত্তি। বৃহস্পতিবারে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন, তাঁদের জীবনে সম্পত্তি ও অর্থের প্রাচুর্য থাকা অসম্ভব নয়! এঁরা জীবনে যেকোনও কিছুই বড়সড় আকারে করতে ভালোবাসেন। এঁরা খুবই ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগোতে ভালোবাসেন। এঁরা জন্ম থেকেই কিছু শেখাতে পড়াতে ভালোবাসেন। নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা এঁদের মধ্যে অনেক বেশি।
কর্মজীবন
যাঁরা বৃহস্পতিবার জন্মান তাঁদের মধ্যে সকলকে তুষ্ট করে চলবার ব্যাপক ক্ষমতা থাকে। ফলে যেকোনও বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে এঁরা অনেক বেশি পটু হয়ে ওঠেন। ফলে যেকোনও উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে এঁরা বেশি উপযুক্ত।এরা দেশনেতা,উচ্চপদস্থ অফিসার, সাহিত্যিক, চিত্রপরিচালক ,সেবা মুলক কাজ,ও ন্যায়াধীশ।
প্রেম
এরা খুবই স্পষ্টবাদী হয়ে থাকেন। এদের ভেতরে যা রয়েছে তাই তারা বাইরে প্রকাশ করেন। ফলে প্রেমের ক্ষেত্রে কোনও লুকোচুরি করেন না এরা। এরা সঙ্গীকে খুশি রাখতে যাবতীয় স্বার্থ ত্যাগ করতেও প্রস্তুত হন। প্রেমে এদের অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ, সঙ্গী তাতে সায় না দিলেই হয়ে যায় মুশকিল!
বিয়ে
এদের দাম্পত্য জীবনের ভাগ্য খুবই স্বস্তিকর হয়। সঙ্গীকে এরা সুখে রাখতে সর্বোতভাবে চেষ্টা করেন। তবে বিয়ের পর আর্থিক দিকে নজর দেওয়া এদের বেশি প্রয়োজন।
বিজ্ঞানের অধিক প্রসারনের ফলে আমরা আধুনিকতার স্পর্শ অনুভব করে থাকি। কিন্তু যতই আধুনিক হই না কেন তবুও কি আমরা শাস্ত্র, ধর্ম, গ্রহ এদের কে অমান্য ও অবিশ্বাস করতে পেরেছি? নিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে যতই আধুনিক যুক্তিতে দাঁড়করাই না কেনো কোথাও না কোথাও কুণ্ডলি বিচার করে থাকি। তাই আধুনিক হলেও পুরাণ কে অবিশ্বাস করতে পারি না। মানব জীবনের প্রথম ও প্রধান বৈশিষ্ট্য হল চরিত্র। আর এই চরিত্র র্নিভরশীল তার জন্মানোর গ্রহের ওপর। মানুষ জাতি যতই আধুনিকতার স্পর্শ পাক না কেনো এখনও পর্যন্ত মানুষ গ্রহ নক্ষত্র এর ওপর বিশ্বাসী। তাই পুরাণ কথা মতে ও পূর্ব পুরুষ এর উক্তি কে মানত্যা দিয়ে, বিচার করে থাকি যে মানুষের ভাগ্য নির্ভর করে গ্রহের ওপর। গ্রহ দের অবস্থান অনুসারে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে জাতিকের চরিত্র কেমন হয়। আজকে জানবো বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক জাতিকার ব্যক্তিত্ব ও বৈশিষ্ট্য।
জ্যোতিষ শাস্ত্রের মতে যে সমস্ত ব্যক্তির জন্ম বৃহস্পতিবারে তারা শাস্ত্রজ্ঞ আচার, সত্যনিষ্ঠ, ধার্মিক, পরোপকারী, সুবিচারক ও ধীরস্থির প্রকৃতির হয়। এরা একদিকে যেমন কর্মঠ হয়, অন্যদিকে রাগী ও স্বেচ্ছা-চারি হয়। এদের সাহিত্য, সাংবাদিকতা, চিকিৎসা, অধ্যপনা প্রভৃতি বিষয়ে যোগ্যতা থাকবে।
ব্যক্তিত্ব – সাপ্তাহিক পঞ্চম দিন হলো বৃহস্পতি। এই দিনের স্বামী গ্রহ দেবগুরু বৃহস্পতিকে মানা হয়ে থাকে। এই দিন জন্মানো ব্যাক্তি কে বিচক্ষন ও সাহসী বলে মনে করা হয়ে থাকে। যে কোনও কাজে এরা পিছিয়ে থাকে না। অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করে থাকে এরা। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি খুব তাড়াতাড়ি অন্য ব্যাক্তি দ্বারা প্রভাবিত হয় ও ব্যবহাররীক চরিত্র খুব ভালো হয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তি রা সর্বদা জাতকের সঙ্গ দিয়ে থাকে। এই দিনে জন্মানো ব্যাক্তিরা লম্বা, ফর্সা, ও সুন্দর হয়ে থাকে। এই দিন জন্মানো জাতকের 7, 12, 13, 16 ও 30 বছর বয়সে কিছু সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি এরা সেটাকে অতিক্রম করে বেরিয়ে আসে, এরা জীবনকে খুব উৎসাহের সাথে উপভোগ করে থাকে। এই ব্যাক্তি রা ভবিষ্যতের কথা খুব কম ভাবে কিন্তু বর্তমান কে নিয়ে এরা খুব বেশি আগ্রহী হয়ে থাকে।
বৃহস্পতিবার জন্মানো নারীরা একটু ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাসী ও আস্থাশীল হয়ে থাকে। এরা পুজো-অর্চনার প্রতি বিশেষ মনোযোগী হয়ে থাকে। এরা হয় খুব আধুনিক চিন্তাশীল না হলেও খুব পুরাণধার্মী হয়ে থাকে না। এরা খুব পরোপকারী হয়ে থাকে। সবাইকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। এরা সবার প্রতি খুব দয়াশীল হয়ে থাকে। এই বারে জন্মানো জাতক ধনী, ও সমৃদ্ধিময় হয় কিন্তু কিছু সময় এরা একটু লালসাধর্মী হয়ে পড়ে। সময়ে এরা খুব বুদ্ধিশীল হয়ে থাকে।
স্বাস্থ্য – বৃহস্পতিবার জন্মানো ব্যাক্তি লিভার এর রোগে আক্রান্ত হন। এদের হৃদরোগ ও আকস্মিক স্থুলতার লক্ষণ দেখা যায়। তাই এই ব্যাক্তির শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়া, যোগা করা উচিত।
ক্যারিয়ার – বৃহস্পতিবার জন্মানো জাতক অধিক চিন্তা শীল ও খুব বুদ্ধিমান হয়ে থাকে। এরা সাধারণত ধার্মিক, দার্শনিক, পত্রিকার, রাজনীতিবিদ ও লেখক প্রভৃতি তে সফলতা লাভ করে থাকে। এরা যাকে জীবনসঙ্গীনী হিসাবে নির্বাচন করে থাকেন সর্বদা তার সাথ দিয়ে থাকেন। এদের বৈবাহিক বন্ধন খুব সুখের হয়ে থাকে। খুব সভ্য ও সালীন জীবনযাপন করে থাকে। নারীরা খুব নম্র প্রাকৃতির হয়।এদের শুভ রং হলুদ হয়। শুভ সংখ্যা 4 ও শুভ দিন বৃহস্পতিবার ও মঙ্গলবার হয়। এই গ্রহে জন্মানো ব্যাক্তি বিশেষ গুনধর্মী চরিত্রের হয়।
এদের স্বভাব কেমন হয়? কথাতেই বলে বৃহস্পতির দশা মানেই অর্থ, সম্পত্তি। বৃহস্পতিবারে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেন, তাঁদের জীবনে সম্পত্তি ও অর্থের প্রাচুর্য থাকা অসম্ভব নয়! এঁরা জীবনে যেকোনও কিছুই বড়সড় আকারে করতে ভালোবাসেন। এঁরা খুবই ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে এগোতে ভালোবাসেন। এঁরা জন্ম থেকেই কিছু শেখাতে পড়াতে ভালোবাসেন। নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা এঁদের মধ্যে অনেক বেশি।
কর্মজীবন
যাঁরা বৃহস্পতিবার জন্মান তাঁদের মধ্যে সকলকে তুষ্ট করে চলবার ব্যাপক ক্ষমতা থাকে। ফলে যেকোনও বিষয়ে নেতৃত্ব দিতে এঁরা অনেক বেশি পটু হয়ে ওঠেন। ফলে যেকোনও উচ্চ পর্যায়ের দায়িত্বপূর্ণ কাজের ক্ষেত্রে এঁরা বেশি উপযুক্ত।এরা দেশনেতা,উচ্চপদস্থ অফিসার, সাহিত্যিক, চিত্রপরিচালক ,সেবা মুলক কাজ,ও ন্যায়াধীশ।
প্রেম
এরা খুবই স্পষ্টবাদী হয়ে থাকেন। এদের ভেতরে যা রয়েছে তাই তারা বাইরে প্রকাশ করেন। ফলে প্রেমের ক্ষেত্রে কোনও লুকোচুরি করেন না এরা। এরা সঙ্গীকে খুশি রাখতে যাবতীয় স্বার্থ ত্যাগ করতেও প্রস্তুত হন। প্রেমে এদের অ্যাডভেঞ্চার পছন্দ, সঙ্গী তাতে সায় না দিলেই হয়ে যায় মুশকিল!
বিয়ে
এদের দাম্পত্য জীবনের ভাগ্য খুবই স্বস্তিকর হয়। সঙ্গীকে এরা সুখে রাখতে সর্বোতভাবে চেষ্টা করেন। তবে বিয়ের পর আর্থিক দিকে নজর দেওয়া এদের বেশি প্রয়োজন।


কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন