Powered By Blogger

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০

বৃশ্চিক রাশির বৈশিষ্ট্য কেমন হয় দেখুন


বৃশ্চিক রাশির বৈশিষ্ট্য

বৃশ্চিক রাশির বৈশিষ্ট্য
বাংলা রাশিচক্র
বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর – ২২ নভেম্বর) :

কোন এনসাইক্লোপেডিয়াতে চোখ রাখলে দেখবেন স্করপিও (বৃশ্চিক)-এর বর্ণনায় রয়েছে যে এটা একটা রাতজাগা প্রাণী (এরাকনিড) যেটা তার দীর্ঘ আর আঁকা-বাকা লেজটি দিয়ে তার শিকারের উপর বিষ নি:সরণ করে। এতে শিকারটির দেহ অবশ হয়ে যায়। এর আঘাত অনেক সময় প্রাণনাশী হয়ে উঠতে পারে।

মানুষ যখন শোনে যে কেউ নভেম্বরে জন্ম নিয়েছে তখন পিছিয়ে যায় এই বলে যে, “ওহ! তুমি বৃশ্চিক!” হয় পরিষ্কার ভয়ে, নয় বিস্ময় এবং শ্রদ্ধায় তারা এই প্রতিক্রিয়া দেখায়। বৃশ্চিকসুলভ আবেদনের প্রতিফলনস্বরূপ অনকসময় তাদের মুখে হয়তো ভীত হাসিও ফুটে উঠতে পারে। বৃশ্চিকরা তাদের রাশির প্রতি এই বিনয়ী প্রতিক্রিয়াগুলো উপভোগ করে, আর কেই বা তাদের দোষ দিতে পারে? কিন্তু তারা বেপরোয়া এবং বিপজ্জনক, কি ঠিক?

ঠিক নয়। এটা নির্ভর করে। প্রথমত, আপনার বরং জানা উচিত এই রাশির জাতকদের কীভাবে চিনতে হয়। হয়তো নিজেদের আত্মরক্ষার খাতিরে, কিংবা আমরা মহাপুরুষদের খোঁজে থাকি বলেই বুঝি তারা নিজেদের উপর তেমনই কোন মুখোশ জড়িয়ে নেয়। আর তাদের সুনিয়ন্ত্রিত চরিত্রের কারণে নিজেদের আরোপিত ব্যক্তিত্বে প্রতিফলন ঘটাতেও সফল হয়। তবে দুপুরে কিংবা মাঝরাতে তাদের এই মুখোশ উৎপাটনের কিছু শর্ট-কাট রয়েছে।

তার চোখে চোখ রাখুন। তাদের চোখ সবুজ, নীল, ধূসর, কিংবা কালো। কিংবা চোখগুলোতে তীব্র মোহাবিষ্টতার ছটা অনুভূত হবে। বৃশ্চিকের স্খির নিবদ্ধ দৃষ্টির মুখোমুখি হতে অধিকাংশ মানুষই ভীত এবং অস্বস্তি বোধ করে। তার এই সাবলীল চাহনীর মোহ কাটিয়ে উঠে প্রথমেই নিজের চোখ ফিরিয়ে নিন। সে প্রতিবারই দৃষ্টি নিবদ্ধ করার দিক থেকে আপনার উপর জয়লাভ করবে। আর এটাই প্লুটোসুলভ ব্যক্তিত্বের চাক্ষুস প্রমাণ। বৃশ্চিক চোখ আপনার গভীর থেকে গভীরে দৃষ্টি দেবে, নির্দয়ভাবে। আর তার যদি ইচ্ছা থাকে আপনার মনের গভীরটা পড়ে দেখবার, তাহলে তারা তাতে সফল হবে।

এরপর তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। তাদের স্বর ভেলভেটের মতো মসৃণ, কিছুটা ভাঙ্গা, তীব্রভাবে কষ্টদায়ক। তাদের বক্তব্য হবে মাপা, কিংবা কাট-ছাট করা এবং ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাক্য দিয়ে গঠিত। কিন্তু তার বক্তব্য কখনই নিজেকে গোপন করার বা গূঢ় বিষয়টিকে রাখ-ঢাক করবে না। বৃশ্চিকের মধ্যে রয়েছে পরিপূর্ণ আত্মগরিমা। সে জানে সে কেমন। এবং সে জানে সে কেমন নয়। আর হাজার মানুষ কে কী বললো তাতে নিজের মত থেকে একচুল বিচ্যুত হওয়া তার কর্ম নয়। অপমান তাকে স্পর্শ করার সুযোগ পায় না, আর প্রশংসা তাকে এক চুলও বিচলিত বা উৎফুল্ল করতে পারে না। কারো প্রশংসা বা সমালোচনা কোনটাই তার প্রয়োজন নেই। তাকে প্রশংসা করার ভালো দিক হলো, সে আপনার প্রশংসার সাথে একমত হবে। আর মন্দ দিক হলো, সে আপনার উদ্দেশ্য ঠিকই বুঝে ফেলবে।

এরপর যখন আপনি দলগতভাবে আলোচনায় বসবেন, তখন রাশিচক্রের কথা পেড়ে বলতে করতে পারেন যে চর্চা করলে বিভিন্ন রাশির জাতক চিনতে পারাটা কঠিন কিছু নয়। সে কথা শুনে যদি কেউ আপনাকে তার মোহাবিষ্ট চাহনি দিয়ে আঁকড়ে ধরে বলে, “তুমি কিছুতেই বলতে পারবে না আমি কোন রাশি” তখন আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলুন, “তুমি একটা বৃশ্চিক।” তখনই হয়তো প্রথমবারের মতো তার চোখ পিটপিট করবে।

কিন্তুক্ষণিক পরেই সে আবার তার সেই শান্ত ছদ্মবেশটা জড়িয়ে নেবে যেমনটি আপনি তার মুখোশ উৎপাটনের আগে সে জড়িয়ে ছিল। যদি আপনি কখনও এমন একজন বৃশ্চিকের দেখা পান যার চোখের দৃষ্টি এদিক ওদিক ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু নিবদ্ধ হয় না, তবে তাকে বলুন যে সে একটা দোদো পাখির মতোই দুর্লভ উদাহরণ। নভেম্বরে জন্মানো কিছু মানুষের জন্মকুষ্ঠিতে হয়তো মানসিক অস্খিরতা সৃষ্টিকারী তীব্র প্রভাব থাকতে পারে। কিন্তু আমরা এখন বৃশ্চিকের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সাধারণ জাতকদের আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ থাকবো এবং তাদেরকেই চেনার চেষ্টা করবো। আত্মবিশ্বাসহীন কিংবা ভীত বৃশ্চিকের সংখ্যা খুবই কম। অন্যান্য প্রভাব থাকার কারণে স্বভাবে তাদের পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু তেমন জাতকেরা সংখ্যায় বেশি নয়।

অধিকাংশ প্লুটো-শাসিত মানুষই শারীরিক দিক থেকে শক্ত-সমর্থ। তাদের শারীরিক বৈশিষ্ট্যগুলো লক্ষণীয়ভাবে দৃঢ়, তীক্ষî এবং পরিষ্কার। তাদের নাক হবে খাড়া, কখনও কখনও টিয়ার ঠোঁটের মতো। সাধারণত তাদের গায়ের রঙ হয় মলিন, যেন প্রায় স্বচ্ছ, এবং তাদের ভ্রু মোটা। তা নাকের উপরে এসে মিলিত হয়। বৃশ্চিকের উপস্খিতিতে আপনি মৃদু কোলাহল আর তীব্র গতিময় প্রাণশক্তির আভাস পাবেন, আর সেটাই আপনার কাছে তার পরিচয় তুলে ধরবে।

সে যতই শান্ত থাকতে চাক না কেন তার এই তীব্র প্রাণ উদ্দীপনাকে লুকিয়ে রাখতে পারবে না। পুরুষদের হাতে পায়ে প্রচুর পশম থাকতে পারে। তাদের পশম প্রায়শই একটু লালচে রঙের হয়। অধিকাংশ বৃশ্চিকের চুলই কালো এবং চোখও কালো, কিন্তু তাই বলে শীতল প্রকৃতির সোনালীচুলের মানুষগুলোকে বাদ দেবেন না, উদাহরণস্বরূপ বলা যায় বৃশ্চিক গ্রেইস কেলি এবং বিলি গ্রাহামের কথা। বাইরে থেকে দেখতেই শুধু শীতল। নিজের ভেতরের টগবগে আচরণকে লুকোতেই তাদের এই শান্ত-স্খির বহিরাবরণ।

বৃশ্চিকেরা জীবন ও মৃত্যুর গোপন রহস্যগুলোর জ্ঞাণ নিয়েই জন্মেছে। এবং যদি সে চায় তবে দুটোকেই সে জয় করতে সক্ষম। কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞাণ তাকে সবসময়ই পরামর্শ দেয় যে “সে যে জানে সেটা তার অবশ্যই জানা উচিত।” প্রাচিণ রহস্যগাথা বা কাহিনী তাকে সবসময়ই টানে। মানুষের প্রকৃতির প্রতি তার তীব্র সমব্যথা তাকে অত্যন্ত সফল ডিটেক্টিভ, অত্যন্ত উঁচু মানের সঙ্গিত শিল্পি, গভীর মানসম্পন্ন এবং দীর্ঘস্খায়ী সাহিত্য কর্মের জনক, কিংবা এমন একজন অভিনেতায় পরিণত করে যে বিকল্পধারায় তীব্রভাবে নিজেকে উপস্খাপন করবে।

কখনও কখনও তাকে সমুদ্রের কাছাকাছি বসবাস করতে দেখা যায়। সমুদ্রের ঢেউয়ের মতোই শক্তিশালী এবং নিরবে সে বসবাস করে। যখন মাঝে সাঝে সে মানুষের সাথে মিলিত হয়, তখন জয় করবার তীব্র আকাঙ্খা লুকিয়ে রাখার জন্যে সে শান্তভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। হতে পারে সে কোন একজন রাজনীতিবিদ, কিংবা একজন টিভি-তারকা, কিংবা একজন আন্ডারটেকার (যে মানুষকে কবর দেয়), কিংবা বারটেন্ডার। কিন্তু যে বৃত্তিতেই সে থাকুক না কেন, নিজের সব প্রতিদ্বন্দ্বিকেই সে টপকে যাবে। এবং সে এতো সহজেই এটা করবে যে মনে হবে এটা তার চেষ্টার থেকে যেন ভাগ্যেরই কারসাজি।

কোন মন্তব্য নেই:

কোন গ্রহের কারনে কি কি অংশে মানব দেহে বিস্থার ঘটে দেখুন

কোন গ্রহের কারনে কি কি অংশে মানব দেহে বিস্থার ঘটে দেখুন জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে নয়টি গ্রহ রয়েছে। রবি চন্দ্র মঙ্গল বুধ বৃহস্পতি শুক্র শনি রা...

all kinds of Natural Gemstone Seller With Lab Certificate